ভোলায় সাংবাদিক নির্যাতনকারীদের ‘আদরে’ রাখছেন এসপি শরীফুল!
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভোলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক কি সাংবাদিক নির্যাতনকারীদের রক্ষাকর্তা হয়ে উঠেছেন? পুলিশের তাণ্ডবে গ্রামের পর গ্রাম পুরুষশূন্য, অথচ প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করা হলেও তার টনক নড়ছে না! উল্টো অভিযুক্তদের সুরক্ষার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
ভোলার সাংবাদিকরা যখন হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন, তখনই বেরিয়ে আসছে আরও ভয়ংকর তথ্য। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা দিব্যি পুলিশের ‘আত্মীয়তা’ উপভোগ করছে। এমনকি গত রাতেও এসপি শরীফুলের সঙ্গে তাদের চা-চক্রে মিলিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ফ্যাসিস্ট আমলে এই পুলিশ কর্মকর্তা ছাত্র-জনতার ওপর বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন কি না, কিংবা ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনে তার কোনো ভূমিকা রয়েছে কি না—এটি তদন্ত করা জরুরি।
প্রশ্ন উঠছে, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা জেলে না গিয়ে এসপির আদর-আপ্যায়নে খোলা বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে কীভাবে!
ঢাকার সাংবাদিক নেতারা বিষয়টি জানতে চাইলে এসপি শরীফুল হকের উত্তর ছিল আরও অবাক করার মতো—”মামলা হলেই আসামি গ্রেফতারের বিধান নেই!”
এখানেও প্রশ্ন উঠেছে—সাংবাদিকদের রক্ত ঝরানো হামলাকারীদের সঙ্গে এসপির এমন ‘ঘনিষ্ঠতা’র রহস্য কী?