শুক্রবার , ২২ নভেম্বর ২০২৪ | ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

ফ্যাসিস্ট আমলে এস আলমের হয়ে ভাড়ায় খাটতেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মুন্না!

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
নভেম্বর ২২, ২০২৪ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ

নিজেস্ব প্রতিবেদক;

ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগের আমলে দুর্নীতির শীর্ষে থাকা এস আলম গ্রুপের লুটপাটের প্রমাণাদির নথিপত্র গায়েব ও ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয় পুড়িয়ে ফেলতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্নার সাথে ২০০ কোটি টাকায় কন্ট্রাক্ট হয়। সম্প্রতি দুদকে জমা পড়া এক অভিযোগ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

অভিযোগের একটি কপি এসেছে এ প্রতিবেদকের কাছে। গত ২৯/১০/২০১৪ ইং অভিযোগটি করেন সামিউল হক চৌধুরী। তিনি অর্থ পাচার প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক।

অভিযোগে যা আছে, বরাবর, দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান. বিষয়ঃ যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না কর্তৃক বিগত ১১/৮/২০২৪ ইং তারিখ থেকে ১৫/৮/২০১৪ইং তারিখের মধ্যে ১৮০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অর্থ পাচারকারী আব্দুল মোনায়েম মুন্নার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন।

জনাব, নিবেদন এই যে, এস আলম গ্রুপ দীর্ঘ দিন ধরে ইসলামী ব্যাংক ব্যাংলাদেশ লিঃ অবৈধ ভাবে দখল করে রাখে। গত ৫/৮/২৪ইং তারিখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুনরায় ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যেক্তাগণ দায়িত্ব বুঝে নেয়।

এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের দখল ছেড়ে দিলেও মতিঝিল দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এস আলম গ্রুপের অবৈধ ও অনিয়মের নথিসমূহ আটকা পড়ে যায়। পরবর্তিতে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া অবৈধ ঋণের নথিসমূহ শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে উদ্ধার অথবা ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ভিতরে অগ্নি সংযোগ করে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য এস আলম গ্রুপ যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নার সাথে ২০০ কোটি টাকার কন্ট্রাক্ট করে এবং কাজের আগেই সম্পূর্ন টাকা নগদে পরিশোধ করে এস আলম গ্রুপ।

আরও উল্লেখ থাকে যে, অবৈধ উপায়ে অর্জিত ২০০ কোটি টাকা থেকে ১৮০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে আব্দুল মোনায়েম মুন্না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার আত্মীয়-স্বজনের কাছে পাচার করে। কন্ট্রাক্ট এর সম্পূর্ন টাকা হাতে পাওয়ার পর আব্দুল মোনায়েম মুন্না ১১/৮/২০২৪ ইং তারিখ (রবিবার) সকাল বেলা ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন এর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক কমিটির ও যুবদল মহানগর দক্ষিনের দুই থেকে আড়াইশ নেতাকর্মীকে অস্ত্র ও গান পাউডার দিয়ে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠায়।

আব্দুল মোনায়েম মুন্না ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পাশের একটি ভবনে বসে সব কিছু তদারকি করে। মুন্না ও নয়নের নেতৃত্বে এস আলমের ভাড়াটে বাহিনী ইসলামী ব্যাংকের সিকিউরিটিদের বাধার মুখে কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকতে না পেরে ব্যাংকের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সিকিউরিটিদের এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে ব্যাংকের ছয়জন কর্মচারী আহত হয়ে হসপিটালে ভর্তি হয়।

ঘটনার পরদিন সকল জাতীয় দৈনিকে উক্ত ঘটনা ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নামসহ ছাপা হয়। ঘটনার পর আব্দুল মোনায়েম মুন্না কন্ট্রাক্ট এর ২০০ কোটি টাকা থেকে ১৮০ কোটি টাকা নিজের কাছে রাখে। রবিউল ইসলাম নয়ন এবং অপরাপর ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের ২০ কোটি টাকা ভাগ করে দেয়। অবৈধ উপায়ে অর্জিত ১৮০ কোটি টাকা আব্দুল মোনায়েম মুন্না হুন্ডির মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত তার আত্মীয়-স্বজনের কাছে পাচার করে, যা সুস্পষ্ট মানি লন্ডারিং।

উক্ত অর্থপাচারের ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরী।

এবিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি মোনায়েম মুন্নার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, এমন কি হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা প্রেরণ করলেও তিনি কোনো সাড়াশব্দ করেনি।,

সর্বশেষ - আইন ও আদালত