বিচারবহির্ভূত হত্যার নিন্দা, সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকার আহ্বান-‘আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় শৃঙ্খল বাহিনীকে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিতে হবে’ বিএনপি’র বিবৃতি
নিজস্ব প্রতিবেদক;
ঢাকা, ১১ অক্টোবর ২০২৫:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দেশে চলমান গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকার সংকটজনক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দলটি বলেছে, “দেশে ন্যায়বিচার শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের ভয়াবহতা চরমে পৌঁছেছে। এটি একটি দুঃসহ ফাঁসিবাদী পরিবেশের প্রতিচ্ছবি।”
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন,
“ফাঁসিবাদের প্রকোপ যখন সীমাহীন, তখন খুন ও নির্যাতনের শিকার হিসেবে বিএনপিসহ দেশের সাধারণ মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। মানবাধিকার সুরক্ষা এখন সরকারের কাছে অচেনা শব্দে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে, যা বিচারবহির্ভূত হত্যাকে উৎসাহিত করছে।
“কোনও ব্যক্তি বিশেষের অপরাধের সঙ্গে পুরো বাহিনীকে জড়িয়ে ফেলা কাম্য নয়। সেনাবাহিনী দেশের, কোনও দলের নয়। সুতরাং সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সংবিধান ও মানবতার পক্ষে থাকতে হবে, বলেন রিজভী।
বিএনপির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “সরকার বিচারহীনতা ও দমননীতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। কিন্তু দেশের জনগণ এখন আর ভয় পায় না; তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ।”
রুহুল কবির রিজভী সতর্ক করে বলেন,“যদি সরকার সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক নির্দেশে ব্যবহার করতে চায়, তবে তা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য বিপজ্জনক হবে। সেনাবাহিনীকে নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে সংবিধানের শপথ রক্ষা করতে হবে।”
বিবৃতির শেষে বিএনপি সারাদেশের দেশপ্রেমিক নাগরিকদের ফাঁসিবাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।


















