মঙ্গলবার , ২৫ জুন ২০১৯ | ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

মিরপুরে আওয়ামী লীগের ৭০তম জন্ম দিনে আনন্দ উল্লাস।

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
জুন ২৫, ২০১৯ ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ

শেখ রাজু (বাংলাদেশ একাত্তর.কম)

জন্মের পর থেকে বেশির ভাগ সময়ই গেছে লড়াই-সংগ্রামে। হত্যা ক্যু-ষড়যন্ত্র—সবই দেখেছে দলটি। এরই মধ্যে ৭০ বছর পূর্ণ করল আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেওয়া দলটির ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয় রবিবার।

ইতিহাস– পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে তা শুধু আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে বিকাশ লাভ করে। প্রতিষ্ঠার শুরুতে দলটির নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হক।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার সূর্যোদয়ের ক্ষণে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। তার ধারাবাহিকতায় রাত সাড়ে আটটায় রাজধানীর মিরপুরেও শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এতে মিরপুর পল্লবীর ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এর সাধারণ সম্পাদক, জনাব খলিলুর রহমান খলিল তার নেতৃতে পুরো বাউনিয়াবাধ এলাকায় জন্ম দিনের আলোর প্রদীপ চারিদিকে জোনাকির আলোর মত জ্বল জ্বল করে লাইটিংয়ে জ্বল ছিলো, তা দুর থেকেই লক্ষ করা যায়। সে সময় খলিলুর রহমান খলিলসহ শত শত ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা কেক কেটে একে অন্যকে খাওয়ান। তার আগে দোয়া করা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৭৫ সালে ঘাতকদের হাতে  নিতহদের প্রতি। শেখ হাসিনার সুস্থতায় ও দোয়া কামনা করা হয় যাতে আগামী দিন গুলো দেশ ও দেশের জনগনের সাথে থেকে উন্নয়নের লক্ষে কাজ করে যেতে পারেন তিনি।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও আওয়ামী লীগের ইতিহাস একসূত্রে গাঁথা। ১৯৫২–এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯–এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ—সব অর্জনই হয়েছে এই দলের নেতৃত্বে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ যখন অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে এগিয়ে চলছিল, ঠিক তখনই আঘাত হানে ঘাতকেরা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।

১৯৮১ সালে বিদেশে অবস্থানকালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করেন দলের নেতা–কর্মীরা। এরপর ওই বছর ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। এরপর থেকে তিনি শক্ত হাতে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। মাঝখানে এক মেয়াদ ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও দলের অনেক নেতা নিহত ও আহত হন তখন। এরপর ২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের টানা ১১ বছরের শাসনামলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট প্রেরণ করা হয়েছে। কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে সাফল্য এসেছে। জঙ্গি দমনে সাফল্য সারা বিশ্বে আলোচিত। তবে এই দলের মাঝে প্রবেশ করেছে কিছু সুবিধা বাদী মুখোশ পরিহত ব্যক্তি দলের ক্ষতি করতে। তাদের সহযোগিতা আওয়ামীলীগের দলের কিছু লিভাস ভরা নেতারা।

সর্বশেষ - সর্বশেষ সংবাদ