সোমবার , ১০ নভেম্বর ২০২৫ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

ঢাকা কি ফিরছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যুগে? ছায়ার আড়ালে পুরনো বাহিনী, নতুন দৌরাত্ম্য

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
নভেম্বর ১০, ২০২৫ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ

ফের সক্রিয় কুখ্যাত গ্রুপ ও সন্ত্রাসী বাহিনী; পুরনো টেন্ডারবাজ, খুনি, দখলদার ও মাদক সিন্ডিকেটের পুনরুত্থানে আতঙ্কিত নগরবাসী

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন; প্রকাশ ১০ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানী আবারও কি ফিরছে সেই অন্ধকার সময়ের দিকে — যখন প্রতিটি এলাকায় ছিলো আলাদা বাহিনী, আলাদা সন্ত্রাসী গ্রুপ? সম্প্রতি নিহত মামুন ও তার ঘনিষ্ঠ ইমনকে ঘিরে ফের আলোচনায় এসেছে পুরনো আন্ডারওয়ার্ল্ডের নামগুলো। তাদের পদধ্বনি যেন শোনা যাচ্ছে শহরের অলি-গলিতে।
ইমন–মামুন গ্রুপ:
হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, তেজগাঁও ও পান্থপথ এলাকায় বহু বছর ধরে টেন্ডারবাজি, দখলবাজি ও খুনের সাথে জড়িত ছিলো “ইমন-মামুন গ্রুপ”। ৯০ ও ২০০০ দশকে এই চক্রের দৌরাত্ম্য এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কে নাম নিতে ভয় পেতো।
চান বাহিনী – পল্লবীর আতঙ্ক:

পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় “ ছোট বড় বিভিন্ন  বাহিনী” আবারও মাথাচাড়া দিচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এই বাহিনীর সঙ্গে চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, অস্ত্র ব্যবসা ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর একাধিক তথ্য প্রশাসনের কাছে পৌঁছেছে। সম্প্রতি একাধিক হামলা ও মৃত্যুচেষ্টার ঘটনায় এই বাহিনীর নাম উঠে এসেছে।

কাঞ্চন–রাজীব গ্রুপ:
মুগদা থেকে খিলগাঁও পর্যন্ত এলাকাজুড়ে সক্রিয় “কাঞ্চন–রাজীব গ্রুপ”। এরা পুরনো অপরাধী হলেও বর্তমানে রিয়েল এস্টেটের আড়ালে চলছে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট। বেশ কয়েকটি স্কুল-কলেজের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে তারা।
রানা বাহিনী – যাত্রাবাড়ী ও শনিরআখড়া:
মাদক, চুরি, ছিনতাই ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নিয়ন্ত্রণে “রানা বাহিনী”র দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়ে চলেছে। থানা পর্যায়ে বহু অভিযোগ থাকলেও প্রভাবশালী রাজনৈতিক আশ্রয়ে

পুরনো ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের শিকড় এখনো কেটে ফেলা যায়নি। “বংশাল–চকবাজার সিন্ডিকেট” নামে পরিচিত এই গোষ্ঠী সোনার দোকান, গুদাম ব্যবসা ও পুরনো যানবাহন ব্যবসার আড়ালে চলে অবৈধ অর্থ ও অস্ত্র বাণিজ্য।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল – নতুন প্রজন্মের দৌরাত্ম্য:
এলাকার কিছু নতুন মুখ—‘রাফি’, ‘শাওন’, ‘বাপ্পী’ নামে পরিচিত একদল তরুণ বর্তমানে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক পোস্টার লাগানোর নামে চাঁদা আদায়ে ব্যস্ত। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা না পেলে হুমকি ও হামলার ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।

নাগরিকদের প্রশ্ন:
কেন বারবার এই পুরনো বাহিনী ও নতুন মুখগুলো সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে? প্রশাসন জানে, তবুও পদক্ষেপ নেয় না কেন?

রাজধানীর নাগরিকরা বলছেন, “ঢাকা এখন আবার সেই পুরনো ভয়াবহ সময়ের দিকে যাচ্ছে, যখন রাত মানে ছিলো গুলির শব্দ আর সকালে ছিলো মৃতদেহের খবর।”

ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড যেন ফের জেগে উঠছে— পুরনো মুখ, নতুন কৌশল, আর একই ভয়ংকর পরিণতি নিয়ে। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আবারও নগরজীবন বন্দুকের নলের নিচে চলে যেতে পারে।

সর্বশেষ - আইন ও আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

চুরির আগে ‘সহযোগিতা’ চাইল চোর—এএসআই মাসুদ সাময়িক বরখাস্ত

সদ্যজাত ৮ ছানা পানিতে ফেলে হত্যা: নিশি রহমানের নৃশংসতার প্রতিবাদে পাগলপ্রায় মা কুকুর ‘টমি’ জনমনে ক্ষোভের ঝড়

ঋণখেলাপিদের জন্য নতুন সুবিধা: বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ

সুইসড্রাম কোম্পানির পরিচালকসহ ১৭ জন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

আশুলিয়ায় মাদকসহ এক ব্যবসায়ী আটক

গণধোলাইয়ের পর শহিদ’কে পুলিশে দিল জনতা

বিদেশিরা ফেসবুকের ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেয়! গ্রেফতার-৯

নড়াইলের লোহাগড়ায় আন নাদওয়াহ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ

স্ত্রীর করা নির্যাতন মামলায় ছাত্রলীগ নেতার জামিন

পল্লবীতে পুলিশের উপর হামলা, হ্যান্ডকাফসহ পালাল আসামি, আহত ৪