%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a7%9f-%e0%a6%9c

(বাংলাদেশ একাত্তর) ডাক্তারের পরামর্শ: কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। আপনার লিভার বা যকৃত পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? “হ্যাঁ” নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।

অন্তত টানা চার থেকে পাচ দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন সব সময়।

কিশমিশ আপানার / আমার হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে আপানার শরীরকে সুস্থ।সুন্দর রাখবে। কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে প্রবেশ করে। পানিতে ভেজানো কিশমিশ কারণ শর্করার মাত্রা কমে।

তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে খেতে হবে। তাহণে দরুণ হজমশক্তি ও বাড়বে।

যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ- 

কিশমিশের পানি খেলে কি হয় জানেন?

২-কাপ পানি (৪০০,এমএল) ও ১৫০-গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে? এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে।

এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু”কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন।

সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০-থেকে ৩৫-মিনিট অন্য কিছু খাবেন না। মনে রাখবেন-নিয়ম মেনে চলুন, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ুন।

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share
bangladesh ekattor

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

15 − thirteen =