সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ছবি বিশ্লেষণে সন্দেহভাজন শনাক্ত—হামলার আগে জনসংযোগে হাদির সঙ্গেই ছিল গুলিকারীরা, ডিবির নিবিড় তদন্ত
প্রতিবেদক; রাজু আহমেদ
ঢাকা: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করার ঘটনায় এখনো অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। হামলাকারীদের ধরিয়ে দিতে সরকার ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে, দুষ্কৃতিকারীদের পরিচয়, গতিবিধি এবং ঘটনার পূর্বাপর সম্ভাব্য সব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হাদির সঙ্গে থাকা দুই যুবকের মধ্যে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
সন্দেহভাজন ওই যুবকের নাম ফয়সাল করিম মাসুদ, ওরফে দাউদ, ওরফে রাহুল। সংবাদমাধ্যমের পুরোনো তথ্য অনুযায়ী, তিনি রাজধানীর আদাবর থানা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে আবদুল মালেক মুন্সি।
এদিকে ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ডিসেন্ট’ দাবি করেছে, গুলিবর্ষণকারী দুই যুবক হামলার আগে মাস্ক পরা অবস্থায় ওসমান হাদির জনসংযোগে অংশ নিয়েছিলেন। পুলিশের সিসিটিভি ফুটেজ ও জনসংযোগ টিমের ছবি বিশ্লেষণ করে তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে। হামলাকারী দুই বাইক আরোহীর পোশাকের সঙ্গে জনসংযোগে অংশ নেওয়া দুই ব্যক্তির পোশাকের সাদৃশ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরে ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান এবং লাইফ সাপোর্টে রাখেন।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভার কেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

















