শনিবার , ২০ জুন ২০২৬ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

মিরপুরে মদের বারে হালিমের রামরাজত্ব লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
জুন ২০, ২০২৬ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

রাজধনীর মিরপুর ১২ নম্বরের সুলতান ম্যানশনের লিফটের ৬ মূলত থাই রিক্রিয়েশন ক্লাব (Thai Recreation Club)। রয়েছে। এই বারটি বিকালে খুলে রাত ১২ টা পর্যন্ত চলে। বারে বেশির মাদক সেবি কিশোর কিশোরী।

সরকারি আইন বলে, বাংলাদেশি নাগরিক, যাদের বয়স ২১ বছর বা তার বেশি এবং যারা সরকারের দেওয়া মদ্যপানের লাইসেন্স বা পারমিটধারী, তারা বারে মদ কিনে পান করতে পারবেন।

অনুমোদিত ব্যক্তির দায়িত্ব: লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী শুধুমাত্র বারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও অনুমোদিত ব্যক্তিরাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মদ বিক্রি করতে পারবেন।

সিকিউরিটি গার্ড কর্তৃক বিক্রয়কে অবৈধ অ্যালকোহল চোরাচালান হিসেবে গণ্য করা হয়।

আইনগত পরিণতি: বারের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও যদি সিকিউরিটি গার্ড মদ বিক্রি করে, তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে বার মালিক এবং সিকিউরিটি গার্ড উভয়েই অপরাধী সাব্যস্ত হবেন। এতে বারের লাইসেন্স বাতিলসহ জেল-জরিমানা হতে পারে।

এই বারে কোনো আইননুন মানা হয়না, বার বন্ধ হলেও সারারাত বারের সিকিউরিটি গার্ড সিরিয়াল দিয়ে মাদক বিক্রি করে। পল্লবী থানা পুলিশের টহলগাড়ী সারারাত বারের সামনেই ঘুরাঘুরি করলেও তারা কোনো আইনি পদক্ষেপ নেয়না, রমজান মাসেও মদ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এতে বারের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। নারীদের অশ্লীল নাচ গান ও বিকট শব্দে গান ভিডিও ছাড়া কতটা যুক্তিকর।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ: ইসলাম ধর্মে মদপান ও মদ্যপানের আসরে নারীদের নাচ-গানকে সম্পূর্ণ হারাম বা নিষিদ্ধ গণ্য করা হয়েছে। এই বারে কিছুই মানছেনা।

গভির রাতে এই বারের মদ পান করে বহু যুবক যুবতী বারের সামনেই হেলেদুলে পড়ে থাকতেও দেখা গেছে। খুন হয়েছে একাধিক যুবক। এই বারটি পরিচালনায় রয়েছে হালিম নামের এক ব্যক্তি তিনিই ক্ষমতাধর। বারের মদ নিয়েও রয়েছে অভিযোগ, অতিরিক্ত মুল্য, সরকারি কোনো নিয়মকানুন মানা হয়না।

ক্রেতা চাইলে মদের বারের বিল বা ভাউচার না দেওয়া শুধু অপরাধই নয়, এটি প্রচলিত রাজস্ব আইন ও ভোক্তা অধিকার পরিপন্থী কাজ।

আইন অনুযায়ী, যেকোনো লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য বা সেবার বিপরীতে ক্রেতাকে বিল, ক্যাশ মেমো বা ভাউচার প্রদান করতে বাধ্য। তবে এই বারে বিল ভাইচার দেওয়া হয়না।

বার পরিচালনা কারী হালিম বলেন, মদের বারে কোনো ভাউচার হয়না। এক পেক মদের মুল্য ৬ থেকে ৮শ টাকা। বিল ভাউচার চাইলে হালিম বলেন বারে এসব চলেনা এটা অনেক বড় বড় মানুষ জড়িত তারা আইন পকেটে রেখেই বার চালায়।

মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট): বারের বিলের সাথে সরকার নির্ধারিত হারে সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট যুক্ত থাকে। গ্রাহককে বিল না দেওয়ার অর্থ হলো প্রতিষ্ঠানটি সরকারের এই রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছে।

অভিযোগ রয়েছে, ভাউচার চাওয়ায় ক্রেতাকে মারধরও করেছে হালিম নিজেই। মাদক সেবন বা বিক্রি দুটোই অপরাধ মিরপুর ১২তে মদের বার হওয়ায় যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে। অন্ধকার ঝলমলে আলোর আলোয় মদের বার অশ্লীল নাচগানে মদে ডুবে বিভোর থাকে সকল বয়সী নারী পুরুষ।

সর্বশেষ - আইন ও আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত