বুধবার , ১৩ মে ২০২৬ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

রূপনগরে খোলস বদলে সক্রিয় আওয়ামী দোসরদের আনাগোনা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
মে ১৩, ২০২৬ ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে বিতর্কিত সিরাজ মোল্লা এখন নতুন রাজনৈতিক বলয়ে সক্রিয়, ছেলে জিসানের বিরুদ্ধে মাদক-জুয়া-বখাটেপনার বিস্তর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুধবার,  ১৩ মে ২০২৬

রাজধানীর রূপনগর এলাকায় আবারও আলোচনায় উঠেছে কথিত আওয়ামী দোসরদের তৎপরতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারকারী একটি চক্র রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর নতুন পরিচয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

টুপি-পাঞ্জাবিতে নতুন রূপ, পুরনো অভিযোগে ঘিরে সিরাজ মোল্লা থাকা সত্বেও ব্যস্ত জামায়েতর এমপির বসে পাশে খানাপিনায়

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজ মোল্লা একসময় স্টার্ন হাউজিং বাড়ির মালিক সমিতির সভাপতি ছিলেন এবং সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা-র ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক সহিংসতার সময় তিনি আত্মগোপনে চলে গেলেও বর্তমানে নতুন রাজনৈতিক বলয়ের নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন। সম্প্রতি তাকে জামায়াত ঘরানার নেতা আবদুল বাতেন-এর সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক আয়োজনে দেখা গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সিরাজ মোল্লা রাজনৈতিক পরিস্থিতি বুঝে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করেন। স্থানীয়দের ভাষায়, “সাপ যেমন খোলস বদলায়, তেমনি সুযোগ বুঝে রং বদলায় এই চক্র।” তাদের দাবি, অতীতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় অর্থ সহায়তার অভিযোগ থাকলেও এখনো তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে, সিরাজ মোল্লার ছেলে জিসানকে নিয়েও এলাকায় রয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক, জুয়া, বখাটেপনা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা দীর্ঘদিনের। প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস পান না বলেও দাবি করেছেন একাধিক বাসিন্দা।

স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, রাজনৈতিক পরিচয় বদলে বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন বন্ধ না হলে এলাকায় অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। তারা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ - আইন ও আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত