বুধবার , ৬ আগস্ট ২০২৫ | ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

রুপনগরে ঝিলপাড় বস্তি দখলের দৌড়: মাসে লাখ লাখ টাকার আয়, সোনার বাংলা মার্কেটও দখলবাজদের কবলে

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
আগস্ট ৬, ২০২৫ ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

রুপনগরে ঝিলপাড় বস্তি দখলের দৌড়: মাসে লাখ লাখ টাকার আয়, সোনার বাংলা মার্কেটও দখলবাজদের কবলে

রাজু আহমেদ | বাংলাদেশ একাত্তর | ৫ আগস্ট, ২০২৫

রাজধানীর রুপনগর ১২ নম্বর রোডের ঝিলপাড় বস্তিতে চলছে ভয়াবহ দখলযুদ্ধ। মাসে লাখ লাখ টাকার অবৈধ আয় ঘিরে দুই পক্ষের বাহিনী মহড়া দিয়ে ঘর দখল খেলায় মেতে উঠেছে। পুলিশের সামনেই সাইনবোর্ড তুলে ফেলছে দখলবাজরা। এখন শুধু বস্তি নয়, সোনার বাংলা মার্কেটও চলে যাচ্ছে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। স্থানীয়রা বলছেন, কোটি টাকার চাঁদা হাতানোর লড়াইয়ে পুরো রুপনগর এখন অগ্নিগর্ভ।

দখলের নামে ফাঁসানোর ফাঁদ: থানায় সাজানো মামলার খেলা

প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে থানায় দেওয়া হয় মিথ্যে অভিযোগ- করা হয় পুলিশি হয়রানি, অনেকেই ভয়ে এলাকা ছাড়া। জনসম্মুখে এক ব্যক্তি পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে একজন নারীকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হুমকির ভাষা বুঝে বলেন, “নারী পুলিশ ছাড়া আমি কাউকে গ্রেফতার করতে পারবো না।” এতে স্থানীয়দের প্রশ্ন—এখন পুলিশের কাজও কি দখলবাজদের চাপে নির্ভর করছে?

পাঁচ হাজার ঘরের বস্তি এখন বারুদের স্তূপ

প্রায় ৫ হাজার ঘর ও অবৈধ বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানির সংযোগে গড়ে ওঠা ঝিলপাড় বস্তি এখন বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। এক সময় এই বস্তি আওয়ামী লীগ ঘরানার নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও, ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপি ঘরানার দখলবাজদের প্রভাব ভয়ঙ্করভাবে বেড়েছে।

দেহব্যবসা থেকে বিএনপি নেতা— চাঞ্চল্যকর রূপান্তর

স্থানীয়রা বলছেন, এক সময়ের হোটেল দেহব্যবসায়ী ও পুলিশের সোর্স, সেই ব্যক্তিও এখন বিএনপি নেতা পরিচয়ে দখলযুদ্ধে নেমেছে। তার আশীর্বাদে চলছে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, আর অন্যপক্ষকে নির্মূলের পরিকল্পনা। দখল বাণিজ্যের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা নিয়েও নোংরা খেলা চরমে।

পুলিশের নীরবতা, বড় সংঘর্ষের আশঙ্কা

সন্ধ্যার পর থেকে বস্তিতে সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি থাকলেও, পুলিশের অভিযানে কোনো দৃশ্যমান কঠোরতা নেই। শুধু লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে পুলিশ চলে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তারা বলছে, “দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধবে।”

কার আশীর্বাদে চলছে এই দখল যুদ্ধ?

৫ আগস্টের পর রুপনগর এলাকায় দখল বানিজ্যসহ অপরাধ কর্মকাণ্ড কার আশীর্বাদে ঘটছে, সেই প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে। প্রশাসনের নিরবতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও কোটি টাকার লোভ—সবমিলিয়ে রুপনগরে বিস্ফোরণ অনিবার্য বলে মনে করছে এলাকাবাসী।


📢 বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন: Bangladeshekattor.com

সর্বশেষ - আইন ও আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত