জাতীয়

মিরপুরে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95

বাংলাদেশ একাত্তর.কম / সুমন:

রাজধানীর মিরপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে  সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে  গার্মেন্ট শ্রমিকরা। শনিবার সকাল ৮ টায় মিরপুর ১৩ নম্বরের ওপেক্স গার্মেন্টের দুই শতাধিক  শ্রমিক ওই গার্মেন্টের সামনের সড়কে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষন অবস্থানের পর ওই স্থান থেকে  মিছিল সহকারে মিরপুর ১৩ নম্বর মুল সড়কের ১ নম্বর বিল্ডিং এর সামনে এসে জড়ো হয় গার্মেন্ট শ্রমিক  বিক্ষোভকারীরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে আশপাশের শতাধিক গার্মেন্ট  শ্রমিক ওই  মিছিলে যোগ দেন। তারা ঘন্টাখানেক সেখানে অবস্থান নেয়।এরপর বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা মিছিল সহকারে  মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে জড়ো  হয়ে সড়ক অবরোধ করেন।এ সময় মিরপুর ১ ,২ ১০ ও ১১,১২ এবং ১৩ নম্বরের যান চলাচল বন্ধ থাকে ও আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

মিছিলের আশপাশে অনেক পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। দুপুর ১২ টার দিকে পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা বিক্ষোদ্ধ শ্রমিকদের সাথে কথা বলে তাদের দাবি পুরনের আশ্বাস দেন।এর কিছুক্ষন পর  শ্রমিকরা  রাস্তা ছেড়ে দেন।

আন্দোলনকারী বেশিরভাগ শ্রমিক মিরপুর ১৩ নম্বর ওপেক্স গার্মেন্টে কাজ করেন। কয়েকজন বিক্ষোভকারী জানান গত, মাসে নির্ধারিত সময়ে তাদের বেতন দেয়া হয়নি। মাসের শেষের দিকে বেতন  পেয়েছেন শ্রমিকরা। চলতি মাসের বেতন এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেয়ার কথা থাকলেও মালিকপক্ষ  ৩০ তারিখের আগে বেতন দিবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ওপেক্স  গার্মেন্টের জিএম এ ঘোষনা দিলে বিক্ষোদ্ধ শ্রমিকরা  ওই দিনই তার উপর ক্ষেপে যায়।শনিবার  সকাল থেকে কাজে যোগ না দিয়েই  ওপেক্স গার্মেন্টের শ্রমিকরা অন্দোলন শুরু করে। এ সময়  মিরপুর ১৩ নম্বর ও ১৪ নম্বরের  ভিশন গার্মেন্ট, এমবিএম গার্মেন্ট ,লোডস্টার, সারোজ সহ বেশ  কয়েকটি গার্মেন্টে  ছুটি ঘোষনা করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শ্রমিক জানান আগামীকাল রোববার সকাল ৮ টা থেকে একই দাবিতে জোরদার আন্দোলন করবে বিক্ষোদ্ধ শ্রমিকরা। আরেক শ্রমিক বলেন, চাকরীর টাকা দিয়ে মাসের ঘর ভাড়া দেই, দোকানের বাকি পরিশোধ করি, গ্রামের বাড়ী টাকা পাঠাতে হয়।

পল্লবী জোনের এসি (ট্রাফিক) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকালে গার্মেন্ট শ্রমিকরা কিছু সময় রাস্তার একপাশে দাড়িয়ে ছিলো। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিলো।আমরা রাস্তা ক্লিয়ার রেখেছি।পুলিশের ক্রাইম বিভাগ আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলেছে। আশা করি সমস্যার সমাধান হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share
bangladesh ekattor

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

19 − 6 =