৩২–৪২ সদস্যের মন্ত্রিসভা পরিকল্পনা, অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের সঙ্গে জায়গা পাচ্ছেন পেশাজীবীরাও
বাংলাদেশ একাত্তর: সংবাদ ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটায় বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ও পেশাজীবী নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করেছেন বলে জানা গেছে। মন্ত্রিসভার আকার ৩২ থেকে ৪২ সদস্যের মধ্যে রাখার চিন্তা চলছে।
টেকনোক্র্যাট কোটায় যাদের নাম আলোচনায়
দলীয় সূত্র বলছে, সংসদ সদস্য না হলেও দীর্ঘদিনের নীতিনির্ধারক হিসেবে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, এছাড়া আলোচনায় রয়েছেন
রুহুল কবির রিজভী, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবীর, মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল মাহদী আমিন
আমিনুল হক, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। দলের ভেতরে আলোচনা রয়েছে, মন্ত্রিসভায় না থাকলে তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পেতে পারেন।
নির্বাচিত এমপিদের মধ্যেও সম্ভাব্য মন্ত্রী
দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেও বেশ কয়েকজন মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—নিতাই রায় চৌধুরী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, আমানউল্লাহ আমান, আসাদুল হাবিব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রকিবুল ইসলাম বকুল, আলী আসগর লবি, এবিএম মোশাররফ হোসেন, জহির উদ্দিন স্বপন, কায়কোবাদসহ আরও অনেকে।
মিত্র দল থেকেও আসতে পারে প্রতিনিধি
জোটের শরিক দল থেকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনায় আছেন আন্দালিব রহমান পার্থ
জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর,
এছাড়া নির্বাচনে পরাজিত হলেও টেকনোক্র্যাট কোটায় নাম আসতে পারে মাহমুদুর রহমান মান্না।
সংবিধান যা বলছে
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, মোট মন্ত্রীর সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ টেকনোক্র্যাট কোটায় নিয়োগ দেওয়া যায়। সে হিসাবে ৪০ সদস্যের মন্ত্রিসভা হলে চারজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হতে পারবেন।
দলীয় নীতিনির্ধারকদের ভাষ্য, অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। শপথের দিনই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে


















