রাজধানী

বন্ধুর ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে ছিনতাইয়ের নাটক সাজায় মুন্না

%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%be

বন্ধুর ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে ছিনতাইয়ের নাটক।

মিরপুর প্রতিনিধি: সুমন।

এটা কোনো বাংলা সিনেমার গল্প বা কাল্পনিক ঘটনা নয়। খোদ রাজধানীর পল্লবীতে ছিনতাইয়ের গল্প সাজিয়ে বন্ধুর ১০ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা সেই বন্ধু এখন পুলিশের কব্জায়।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মনির হোসেন মুন্না পল্লবী থানায় এসে অভিযোগ করেন মিরপুর ১১ নম্বর ব্র্যাক ব্যাংক থেকে দশ লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার পথে মিরপুর ৬ নম্বর সি ব্লকে ওই টাকা ছিনতাই হয়। ৪-৫ জন ছিনতাইকারী অস্ত্র ঠেকিয়ে এ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। 

ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধার করতে ছায়া তদন্তে মাঠে নামে পল্লবী থানার তরুন চৌকস পুলিশ অফিসার এসআই তারিক উর রহমান শুভ সহ সঙ্গীয় সদস্যরা।

পরে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বললে ছিনতাইয়ের সত্যতা না পেয়ে মুন্নাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এক পর্যায়ে মুন্না টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করে। মুন্নার কথা মতো মিরপুর ৬ নম্বর-সি ব্লক, ২-নম্বর রোড ৯ নম্বর বাসা থেকে টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় দিদারুল আলম মজুমদার তার ভাইয়ের বন্ধু জনি’র কাছ থেকে দশ লক্ষ বিশ হাজার টাকার একটি চেক আনতে বলেন তার বন্ধু মনির হোসেন মুন্নাকে। এরপর চেক ভাঙ্গিয়ে দিদারুলকে মুন্না ফোন দিয়ে বলেন টাকা ছিনতাই হয়ে গেছে। অবশেষে পুলিশের তদন্তে খোয়ানো টাকা ফেরত পেল দিদারুল।

পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন  ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে  প্রতারক মুন্না তার বন্ধুর  বিশ্বাস ভঙ্গ করে টাকা আত্মসাৎ করতে চেয়েছিল। পুলিশ তার কূটকৌশল ধরে ফেলেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

two − 2 =

বাংলাদেশ একাত্তর