রবিবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

টাইটানিকের সেই দম্পতিকে পাওয়া গেল বাস্তবে…

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭ ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ

‘টাইটানিক’ সিনেমা দেখেননি, এমন মানুষ হয়ত কমই আছেন। ১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল জাহাজটি যাত্রা শুরু করেছিল নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে। আটলান্টিক সাগর পাড়ি দেয়ার সময় একটি বরফের চূড়ায় আঘাত লেগে ধ্বংস হয়ে যায় ‘কখনও ডুবে যাবে না’ দাবি করা টাইটানিক জাহাজটি। এই কাহিনি নিয়ে ১৯৯৭ সালে নির্মিত হয় সিনেমা, যা অসংখ্য পুরস্কার পেয়ে এখনও দর্শকদের প্রিয় সিনেমার একটি হিসেবে বিবেচিত।

পর্দায় জ্যাক ও রোজের প্রেম কাহিনি দেখানো হয়েছিলো, যাতে অভিনয় করেন কেট উইন্সলেট ও লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। জ্যাক ও রোজের অস্তিত্ব বাস্তবে না থাকলেও সিনেমায় একটি সত্যিকারের প্রেমকাহিনি দেখানো হয়েছিল, যা এড়িয়ে গিয়েছে দর্শকের চোখ। জাহাজটি যখন ডুবে যাচ্ছিল, তখন একটি প্রথম সারির কেবিনে একটি বৃদ্ধ দম্পতিকে দেখানো হয়েছিল- যারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থেকে আসন্ন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বাস্তব জীবনে তারা সত্যিই ছিলেন। সম্প্রতি সামনে এলো তাদের আসল পরিচয়।

১০৫ বছর আগে তলিয়ে যাওয়া ‘টাইটানিক’ জাহাজে তারা সত্যি যাত্রী হিসেবে উঠেছিলেন। সিনেমার প্রয়োজনে তৈরি করা চরিত্র তারা নন। এই দম্পতির অস্তিত্ব বাস্তবেও ছিল। ছয় সন্তানের পিতা-মাতা ৬৫ বছরের ইসিডর এবং তার ৬৩ বছর বয়সের স্ত্রী ইসা। ‘টাইটানিক’ দুর্ঘটনার ঠিক ৪১ বছর আগে ১৮৭১ সালে তাদের বিয়ে হয়। আমেরিকায় একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের অন্যতম মালিক ছিলেন ইসিডর। ফ্রান্সে ছুটি কাটিয়ে আমেরিকায় ফেরার জন্য তারা টাইটানিকে উঠেছিলেন। নিজ দেশের পরিবর্তে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দুজন।

চলুন জেনে নিই, ১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল রাতে জাহাজ দুর্ঘটনার দিন তাদের সঙ্গে কী হয়েছিল। ১১৭৮ জন যাত্রীর জন্য মাত্র ১৬টি কাঠের লাইফবোট ছিল জাহাজটিতে। প্রথম শ্রেণির যাত্রী হওয়ার কারণে তারা লাইফবোটে ওঠার অধিকার পেতেন। মহিলা হওয়ার কারণে আগে সেই সুযোগ পেতেন ইসা। ইসিডর এই সুযোগ পেতেন ইসার পর। তবে ইসিডর নিজেই আগে মহিলা ও শিশুদের যাওয়ার ব্যবস্থা করতে বলেছিলেন। কিন্তু ইসা একা লাইফবোটে উঠতে রাজি হননি। মৃত্যু আসন্ন জেনে স্বামীকে ছেড়ে যেতে আর মন সায় দেয়নি তার। একসঙ্গে মৃত্যু বরণ করতে চেয়েছিলেন। ইসার ইচ্ছেকে সম্মান জানিয়েছিলেন ইসিডর।

সে সময় তাদের সঙ্গে থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শীর খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল পরবর্তীতে। তিনি দুর্ঘটনার সময় ওই দম্পতিকে টাইটানিকের ডেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলেন। ৩০৬ জনের মৃতদেহ সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। ইসিডরের দেহও পাওয়া গিয়েছিল, তবে ইসার দেহ পাওয়া যায়নি। ইসিডর-ইসার নাতির ছেলে পল কুর্জম্যান এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন। সিনেমায় থাকা সেই বিশেষ মুহূর্তের ভিডিওটি আরেকবার দেখে নিতে পারেন।

সর্বশেষ - আইন ও আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

নির্বাচন চায় না এমন মত ড. ইউনুসের, দেশের মানুষের নয়: আমিনুল হক

যুবদলের রাজনীতিতে প্রশ্নের মুখে জামাল হোসেন বাপ্পি

বাবা নেই, মাকে হাসপাতালে রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে ছুটেও ঢুকতে পারল না মেয়েটি!

রুপনগরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ছড়াছড়িঃ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসি রুমে ঘুমায়

সাভারে প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

করোনার এই দুঃসময়ে অসচ্ছল মানুষের পাশে আ.লীগ নেতা খলিল

পল্লবীতে চোরাই মোবাইল মার্কেটে র‌্যাবের হানা- আটক-৭

ফকিরহাটে আলমসাধুসহ ১২৫০কেজি লোহার সরঞ্জাম উদ্ধার

গোপালগঞ্জের পোলার বিয়ে হ্যাটট্রিক-রান্না না করায় বছরে বছরে নতুন বউ!

“অপরাধ নয়, আদর্শে রাজনীতি—ঢাকা মহানগর পশ্চিমে রবিন খানের জয়যাত্রা”