আইন ও আদালত, আওয়ামীলীগ, বিশেষ সংবাদ, রাজধানী, রাজনীতি

এমপি’র ভাগ্নের সন্ত্রাসী বাহিনীরা, এক আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় !

%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80

বাংলাদেশ একাত্তর.কম/নিজেস্ব প্রতিবেদক;

রাজধানীর মিরপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে এমপি’র ভাগ্নের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় ঢাকা ১৪ আসনের (এমপি) আঁগা খান মিন্টুর জনসংযোগ অফিসের ভিতরে প্রবেশ করেন আওয়ামী লীগ নেতা আসিফ।

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে  এমপি’র ভাগ্নে বাহিনীরা অফিসের ভেতরে হঠাৎ এলোপাতাড়ি ভাবে মারতে থাকে। কিলঘুষি মারতে মারতে রাস্তায় নিয়ে আসে, এসময় সন্ত্রাসীদের একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে।

ঘটনাটি ঘটে, বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে।

আহত অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হলে মাথায় ১০ টি সেলাই লাগে। হাসপাতালের এক ডাক্তার বলেন, মাথার আঘাত খুবই গুরুতর পুরোপুরি সুস্থ হতে প্রায় দেড় দুই মাস লাগতে পারে।

যারা অতর্কিত হামলা ও হত্যার চেষ্টা করেছে তারা হলো এমপি’র ভাগ্নে মুকুল বাহিনীর কিশোর গ্যাং সদস্য- সিফাত, লেলিন, মারুফ, ফয়সাল, আকিব আওয়াল, আলমগীর হোসেন ও খোকন। 

আওয়ামীলীগের পুরনো নেতাকর্মীরা বলেন, আগা খান মিন্টু ভাই, এমপি হবে! জীবনে আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি। আসলাম ভাই, মারা না গেলে হয়তো সেটা সম্ভব ছিলোনা। কিন্তু তার ভাগ্না মুকুল, সব জায়গায় ঝামেলা পাকায়। সে-তো এখন বিশাল নেতা বনে গেছে। সব লোকজনই তার, পিচ্চি পিচ্চি পোলাপাইন দিয়ে বিভিন্ন আকাম-কুকাম করায়। মিন্টু ভাই এমপি হওয়ার পর কত-যে ইউপোকার মত ভাগ্না গজিয়েছে ১৪ আসন জুড়ে আল্লাহ মাবুদ-ই জানে। ফেসবুক খুললেই দেখা যায়, মামার সাথে, মামার অফিসে, মামার ভাগ্নার সাথে-সহ বিভিন্ন আজব স্টাইলে ছবি তুলে পোষ্ট করছে। 

সুত্র-বলছে, ভুক্তভোগি আসিফ সাবেক মিরপুর থানা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান আওয়ামী লীগের উপ কমিটির শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সদস্য।

ভুক্তভোগী আসিফ বলেন, হামলাকারীরা সবাই এমপির ভাগ্নে কবির চৌধুরী মুকুলের বাহিনীর সদস্য। কবীর চৌধুরী মুকুলকে প্রধান আসামী করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় মামলা করেছি। এখনো মামলা নাম্বার দেয়নি, সকালে দিবে পুলিশ।

এবিষয়ে, দারুসসালাম থানার ডিউটি অফিসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ একাত্তর.কম’কে বলেন, রাত দেড়টায় অভিযোগ পেয়েছি। রাতে তো কাউকেই পাওয়া যাবেনা, তাই দিনের বেলায় পুলিশ যাবে ঘটনাস্থলে।

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

বাংলাদেশ একাত্তর