বাংলাদেশ একাত্তর.কম| ২৯| ২০২৬
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত মাদক বিক্রেতারা অনেক সময় ডিএমপি আইনের মামলায় পার পেয়ে যায়, অথচ ক্রেতা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মাদক মামলায় জড়িয়ে পড়েন—এমন অভিযোগও প্রায়ই শোনা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পল্লবী এলাকায় এসআই জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে অভিযানে কথিত মাদক সম্রাজ্ঞী শাহাজাদীর স্পট থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, আটক হওয়া ব্যক্তিরা শাহাজাদীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তাদের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক মামলা রয়েছে।
এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে ওই স্পটটি শাহাজাদীর মেয়ে মুসকান ও তার স্বামী রনি নিয়ন্ত্রণ করছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের বক্তব্য, যদি কেউ সত্যিই মাদকসহ আটক হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হওয়ার কথা। আর যদি মাদক বা সংশ্লিষ্ট কোনো আলামত উদ্ধার না হয়ে থাকে, তাহলে ডিএমপি আইনে মামলা করার প্রয়োজনীয়তা কী—বা থানায় নিয়ে চার তলায় কেন- এ প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। প্রকৃত ঘটনা, আটকের কারণ এবং কোন আইনে কী ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।


















