১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদারের সাথে সহযোগিতার জন্য দায়ী, স্বাধীনতার পরও অনুতাপহীন রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িক অবস্থানের কারণে জনগণের কাছে এ দল ঘৃণার পাত্র।
বাংলাদেশ একাত্তর: সংবাদ-ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়েত ইসলামি দল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়ংকর অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদারের সহযোগী হিসেবে আল-বদর ও আল-শামস গঠন করে তারা গণহত্যা, ধর্ষণ এবং বুদ্ধিজীবী হত্যায় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল।
স্বাধীনতার পরও দলটি প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়নি এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা ও ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তাদের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের চেতনাবিরোধী অবস্থান জনগণের কাছে বিতর্কিত।
জামায়েত ইসলামি দল সৃষ্টির লগ্নে আজ অবধি কোনো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাননি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এদের নীতি ও নৈতিকতা এতটাই ভয়ংকর যে দেশের শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জামায়েত ইসলামিকে ভোট দেওয়া মানে একাত্তরের পরাজিত শক্তিকে রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়া এবং দেশকে পুনরায় বিভাজনের পথে ঠেলে দেওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানো। ইতিহাসের ভয়াবহতা ভুলে গেলে ভবিষ্যতেও এর প্রভাব অনুভূত হতে পারে।
দেশের বিভিন্ন নাগরিক ও মুক্তিযোদ্ধারা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। স্বাধীনতা, সংহতি ও জাতীয় চেতনার জন্য সতর্কতা ও সচেতনতা অব্যাহত রাখা জরুরি।















