শুক্রবার , ১২ জানুয়ারি ২০১৮ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য জাতিকে সংকটে নিয়ে যাবে: ফখরুল

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
জানুয়ারি ১২, ২০১৮ ১১:১৭ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ‘জনগণ হতাশ’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এতে সমঝোতার কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। বরং জাতিকে আরেক দফা সংকটের দিকে নিয়ে যাবে।

জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণের ঘণ্টাখানেক পর শুক্রবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার বেলা ৩টায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে এখন রাজনৈতিক সংকট চলছে। কিন্ত প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে কীভাবে নির্বাচন অর্থবহ করা যায় তা নিয়ে কিছু বলেননি। দুঃখজনকভাবে তার বক্তব্যে সংকট নিরসনের কোনো লক্ষণও খুঁজে পাইনি। তার বক্তব্যের সঙ্গে সত্যতার মিল নেই।’

তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ৫ শতাংশের কম ভোট পড়েছে। এ পরিস্থিতি আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে যে সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার, তার আয়োজনে সরকার আন্তরিক নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জনগণ আশাহত হয়েছে।’

দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে—প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে দেশ দুর্নীতির মহাসড়কে আছে। উন্নয়নের নামে সবেচেয় বেশি দুর্নীতি হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের অবস্থার পরিবর্তনের কথা বলেছেন, কিন্তু বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের কথা বলায় সে সংকট রয়ে গেল! দেশের মানুষ অর্থবহ নির্বাচন দেখতে চায়। তার বক্তব্যের মধ্যে সমঝোতার ইঙ্গিত দেখা গেল না। এটা হতাশাজনক। মানুষ এ অন্যায় সহ্য করবে না।’

নির্বাচন নিয়ে কোন রকম নৈরাজ্য সহ্য করা হবে না—প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যেকে ‘হুমকি’ হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) হুমকির সুরে এ কথা বলেছেন। আমরা বলতে চাই, নৈরাজ্য বিরোধীদল সৃষ্টি করে না। নৈরাজ্য সরকার করে। বিগত সময়ে তারাই নৈরাজ্য করেছিল যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তার বক্তব্য জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ সংবিধান কাদের; কাদের দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে? সংবিধান সংশোধনে জনগণের আশার প্রতিফলন হয়নি। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার একতরফাভাবে বাতিল করেছে।’

এদিকে, রাতে বনানী মাঠে মির্জা ফখরুলের শীতবস্ত্র বিতরণের কথা থাকলেও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করায় তা বাতিল করা হয়। তফসিল অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দ না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রচার করা যাবে না। পরে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা গুলশান কার্যালয়ে ফিরে যান। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।

এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গৌতম চক্রবর্তী, অর্পণা রায়, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - আইন ও আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

কেশবপুরে সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনতাই: মাটি খেকো রশিদ বাহিনী পলাতক

প্রকৃত তাঁতীরাদের নাম নেই পুর্নবাসন প্লট বরাদ্দের তালিকায়: করোনায় ধ্বংস প্রায়ই বেনারসি তাঁত শিল্প

সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার নিষেধাজ্ঞার পুনরাবৃত্তি : এমএসএফ

অটোরিকশা বন্ধে খুশি সাধারণ মানুষ

গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির ভাইকে ঈদের দিনে কুপিয়ে জখম

তরুণ প্রজন্মের প্রথম ভোট ধানের শীষের পক্ষে হোক

কালশি গণহত্যার বিচারে মানববন্ধন কাল, উপস্থিত থাকবেন ফারজানা

তেলের দাম বাড়ার সাথেই বাড়লো গাড়ী ভাড়া, অবশেষে আজ থেকে সারাদেশে ধর্মঘট

বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিকেএসপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা আমিনুল হকের

মিরপুরে অসহায়দের মাঝে মুসলিম এইড’র রমজান ফুড ভাউচার বিতরণ