১৪ নম্বর আসনে পরাজয়ের পরও সিদ্ধান্তে পরিবর্তন নেই, উপেক্ষিত অভিজ্ঞ নেতৃত্ব
বাংলাদেশ একাত্তর.কম: তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে সানজিদা ইসলাম তুলিকে ঘিরে। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রীদের পাশে রেখে কেন বারবার তাকেই সামনে আনা হচ্ছে—এমন প্রশ্ন এখন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মুখে মুখে।
১৪ নম্বর আসনে পরাজয়ের পরও দল কোনো শিক্ষা নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের স্পষ্ট বার্তা ছিল—তারা তুলিকে এই আসনে দেখতে চান না। কিন্তু সেই বার্তা উপেক্ষা করে তাকে সামনে এনে আবারও একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
ঢাকা-১৬ আসনের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মেহেরুন্নেসা হক ছিলেন একটি শক্ত ও গ্রহণযোগ্য নাম। চারবারের ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না। তবুও তাকে পাশ কাটিয়ে অন্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফল এখন দৃশ্যমান বলে দাবি স্থানীয়দের।
দলের ভেতর থেকেই অনেকে শুরু থেকেই মত দিয়েছিলেন—তুলিকে সংরক্ষিত আসনে আনা সম্ভব। সেই পথ না নিয়ে কেন তাকে সরাসরি ১৪ নম্বর আসনে নির্বাচন করানো হলো, যেখানে একটি সম্ভাবনাময় আসন হারাতে হয়েছে—এই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি আবার একই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। ফলে শুরুতেই সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারণ নিয়ে উঠছে নানা আলোচনা।
এদিকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, দলের শীর্ষ পর্যায়ে ভুল তথ্য বা প্রভাব খাটিয়ে কিছু ব্যক্তি চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছেন, যার ফলে দলের ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
সব মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই—যখন সম্ভাব্য পরিণতি আগে থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল, তখন কেন সেই পথেই হাঁটা হলো? সামনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।


















