বুয়েট শিক্ষার্থীদের যমুনা অভিমুখে অগ্রসর ঠেকাতে পুলিশের লাঠিচার্জ; ডিসি মাসুদের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক
রাজু আহমেদ, প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট ২০২৫
রাজধানীতে ৩ দফা দাবিতে আন্দোলনরত বুয়েট শিক্ষার্থীরা বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ তাদের থামাতে বাধ্য হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। এতে দুইজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, “যমুনার পথে বাধা দিয়েছি, এতেই পদত্যাগ দাবি উঠছে। যদি আইনগত আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতাম, তাহলে দেশে থাকা কঠিন হয়ে যেত।”
তিনি আরও জানান, পুলিশের দায়িত্ব জনগণের জানমাল রক্ষা করা। বিক্ষোভকারীরা যদি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘিরে ধরে, তবে যেকোনো পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না।
পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, আন্দোলনের নামে অশান্তি ছড়ানো হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত, কিন্তু সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের মাধ্যমে নয়।