তারেক রহমানের আস্থাভাজন, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও যুবসমাজের আইকন ড. নয়ন বাঙালি দেশে ফিরলেই শেষ হবে দখল–চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য”,সুশীল সমাজের ঘোষণা
প্রতিনিধি, ওয়াশিংটন ডিসি | প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা–১৬ আসনের সাধারণ মানুষ আজ হাঁপিয়ে উঠেছে দখল–চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস আর মাদক ব্যবসায়ীদের তাণ্ডবে। ফুটপাত, সড়ক, পরিবহন থেকে শুরু করে গার্মেন্টস ও বাজার—সব জায়গায় চলছে দখলবাজদের রাজত্ব। এই দুঃশাসনের অবসান চায় এলাকাবাসী। আর প্রবাসীদের কণ্ঠে ভেসে উঠেছে এক দৃঢ় প্রত্যাশা—“নয়ন বাঙালি ফিরলেই শেষ হবে দখল–চাঁদাবাজদের যুগ।”
রাজনৈতিক চিন্তাবিদ, প্রখ্যাত আইনজীবী ও বিএনপির রাজনৈতিক পরিবারের বেড়ে ওঠা এই তরুণ নেতা ড. নয়ন বাঙালি আজ প্রবাসে থেকেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তারেক রহমানের বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে তিনি কেবল একজন নেতা নন, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে রাজনীতির আইকন। মিরপুরের মাটিও মানুষের ভালোবাসায় বেড়ে ওঠা নয়ন বাঙালি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন—“আমার রাজনীতিতে অপরাধীর দরকার নেই, আমি চাই জনগণের ভোট।”
ওয়াশিংটন ডিসি ও ভার্জিনিয়ায় আয়োজিত আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, নয়ন বাঙালি দেশে ফিরেই ১৬ আসনের রাজনীতির হাল ধরবেন। তাঁর প্রথম পদক্ষেপ হবে অপরাধী শক্তির দমন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন—“ব্যানার–ফেস্টুনে অপরাধ ঢেকে রাখা চলবে না, এলাকায় কোনো চাঁদাবাজ বা মাদক ব্যবসায়ীর জায়গা নেই।”
নয়ন বাঙালির মায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক সততা নিয়েও প্রশংসা করেছেন প্রবাসীরা। তারা উল্লেখ করেন, তাঁর মা কখনো আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেননি। অথচ সাবেক কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন ক্ষমতার লোভে আওয়ামী লীগের সঙ্গে প্রকাশ্যে আঁতাত করে বিএনপির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও শোক দিবস পালনসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন। ৫ আগস্টের পর সেই সাজ্জাদ এখন বিএনপির রাজনীতিতে স্বকীয় আমিনুল হকের সাথে। আরও অনেকে আছেন, যারা আওয়ামী লীগ করেও এখন বিএনপির বড় নেতা হয়েছেন। তাদের তালিকা আমরা বিদেশে বসেই পাচ্ছি। বিএনপির সম্মান রক্ষা করতেই আমার এই ঘোষণা।
‘রাজনীতির স্কুল’-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. নয়ন বাঙালি বলেন, “আমার মিছিলে যদি ১০ জনও থাকে, তবে তারা হোক এলাকার ভোটার। লোক দেখানোর ভিড়, ভাড়া করা সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজদের নিয়ে রাজনীতি নয়।”
প্রবাসী সমাজের স্লোগান একটাই “ঢাকা–১৬ দখল–চাঁদাবাজমুক্ত হোক, নয়ন বাঙালিই হোক এলাকার অভিভাবক।”