মঙ্গলবার , ৫ জানুয়ারি ২০২১ | ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

সড়কে বেপরোয়া প্রজাপতি পরিবহন

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
জানুয়ারি ৫, ২০২১ ৫:৩৫ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ একাত্তর.কম/উজ্জ্বল বেপারী: প্রকাশিত/ সময়/ ৫টা ৩২ মিনিট/ ০৫/০১/২০২১ইং।

সড়কে চলাচলে প্রজাপতি পরিবহনের বেপরোয়া গতির কারনে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা।

রাজধানীর মিরপুর কালসী রোডে সোমবার (৪ জানুয়ারী) প্রজাপতি পরিবহনের চাপায় আশরাফ (১৯) নামের এক যুবক আহত হয়ে মৃত্যু যন্ত্রনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে ছটফট করছে। এ ঘটনায় আজ (৫ জানুয়ারী) ভুক্তভোগীর পরিবার পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ করে।

জানা যায় পল্লবী থানার এস আই নুরুল ইসলাম অভিযোগের তদন্ত করছেন। এ বিষয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, প্রজাপতি পরিবহনের চাপায় দুর্ঘটনা হয়েছে। তবে কত নম্বর গাড়ীটি এ দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো শনাক্ত করতে পারিনি।

ভুক্তভোগি মা বলেন, আমার ছেলে কালসী রোডের পাশেই ছিলো প্রজাপতি পরিবহনের দুই গাড়ীর পাল্লাপাল্লির কারনে আমার ছেলেকে চাপা দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি। ডাক্তার বলেছে মূত্রনালি ফেটে গেছে। ডান- পায়ের রানের ক্ষত হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হতে কত দিন লাগবে তা বলা সম্ভব নয়। চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। আমার ছেলে একটি দোকানে কাজ করে। তারা বলেন, প্রশাসনের লোক প্রজাপতি পরিবহনের এমডি রফিকুল ইসলামের অফিসে আসছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিদিনই জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে সড়কে নামতে হয় নগরবাসীকে। প্রয়োজনের তাগিদে বের হলেই দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। বেশির ভাগ দুর্ঘটনাই ঘটে গণপরিবহনের চাপায় কিংবা ধাক্কায়। পরিবহনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা, পুলিশ কর্মকর্তা ও গাড়ি মালিকদের দাপটে রাজধানীতে চালক-হেলপাররা ট্রাফিক আইনের তোয়াক্কা করছে না। বিপজ্জনক ওভারটেকিং ও যাত্রীবোঝাই বাস-মিনিবাস নিয়ে তারা মরণ ঝুঁকির পাল্লাপাল্লিতেও লিপ্ত হচ্ছে অহরহ। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, যাত্রী ও পথচারীরাও প্রাণ হারাচ্ছে গাড়ির চাপায়। রাজধানী জুড়ে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বদলি চালক ও পরিবহন মালিক ও কর্মকাতাদের উদাসীনতায়।

একাধিক বাস চালক ও হেলপারের সাথে কথা বলে জানা যায়, কোম্পানির ওয়েবিল নামের চাঁদা, মালিকের জমার টার্গেট, ব্যাক মানির চাঁদা, টয়লেটের টাকা ও পুলিশ ধরলে টাকা, পরিবারের খরচের টাকা। এসব টাকা আয়ের জন্য মাথায় থাকে বোঝা। সেই ঝুকিতে তারা পাল্লাপাল্লি করে সড়কে গাড়ী চালায়। ইনকাম কম হলে পরের দিন গাড়ী দিতে চায়না মালিক। লক্কর ঝক্কর বাস, শুধু কোনমতে রং করেই রোডে ছাড়ে। আমরা পেটের দায়ে চালাই। দুর্ঘটনা হলে পাবলিকে ধরে গনপিটনি দেয়, গাড়ীতে আগুন লাগায়। ফলে দুর্ঘটনা হলেও পালানোর ছক খুজি বেশি।

সর্বশেষ - সর্বশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত