সোমবার , ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

মিরপুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রুমে শিক্ষিকাকে আটকিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৩ ১০:১৫ অপরাহ্ণ

মিরপুর; সুমন আহমেদ;

রাজধানীর মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের একটি কক্ষে শিক্ষিকাকে জোরপূর্বক আটকিয়ে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আহমদ উল্লাহ কাসেমী নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা ২৬ আগস্ট বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির বরাবরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযুক্ত আহমদ উল্লাহ কাসেমী ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক। তিনি ধর্মের শিক্ষক হিসাবে দায়িত্বে আছেন।

অভিযোগে যা লেখা: ওই শিক্ষিকা জানান, ২৩ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে ক্লাসে যেতে ৫-৭ মিনিট দেরি হওয়ার অজুহাতে আহমদ উল্লাহ আমাকে তার অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখেন। এরপর হয়রানিমূলক আচরণ ও অসম্মানজনক কথাবার্তা বলেন। আমি সেখান থেকে চলে আসতে চাইলে তিনি জোর করে আটকে রাখেন। তিনি আমার মোবাইল ছিনিয়ে নেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে তিনি আমার সঙ্গে খোশগল্প শুরু করেন ও আমাকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেন। তার গল্পের ধরন অমার্জিত, রুচিহীন এবং নোংরা ইঙ্গিতপূর্ণ। তার আচরণে আমি স্পষ্টতই অনুমান করতে পারি দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আমাকে যৌন হয়রানি করা। আমি তাকে এই সুযোগ দেইনি দেখে ফের উচ্চস্বরে কটূক্তি করেন। শিক্ষিকা বলেন, এ ঘটনার পর আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। কয়েকবার আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলাম। পরকাল ও পরিবারের কথা চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি। আহমদ উল্লাহ বিদ্যালয়ে অনেক প্রভাবশালী। বিষয়টি জানাতে আমি মিরপুর মডেল থানায়ও গিয়েছি। কিন্তু কুচক্রী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দিতে উলটো আমাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ধর্মের শিক্ষক হলেও আহমদ উল্লাহ কাসেমী বিভিন্ন সময় ছাত্রীদের সাথে বাজে অঙ্গ ভঙ্গি করে। বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা বিরক্ত হলেও তারা ছিলেন নিরুপায়। প্রতিবাদ করলে যদি পরিক্ষায় ফেল করিয়ে দেয় ওই কারনে সবাই চুপ থাকতো। মহিলা অভিভাবক, ছাত্রী ও কোনো নারী দেখলেই তিনি গায়ে পড়ে কথা বলার চেষ্টা করেন। ওই সময় একটা রোমান্টিক রোমান্টিক ভাবসাবে থাকে।

এমন কি ছাত্রীদের গায়ে ঘেষে বসতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ওই শিক্ষক। এমন একটি ছবি এসে এসেছে এই প্রতিবেদকের কাছে। ছবিতে দেখা গেছে, কয়েকজনক ছাত্রীদের মাঝে তিনি (আহমদ উল্লাহ কাসেমী) গাঁ ঘেষে বসে আছে। দেখতে দৃষ্টি কটু মনে হলেও তিনি ছাত্রীদের মাঝে বসে তা উপভোগ করছেন।,

ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আহমদ কাসেমী উল্লাহ বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, আমি এখন আর কিছু বলতে পারছিনা বলে ই ফোনটি কেটে দেন তিনি।

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিনাত ফারহানা বলেন, এমন একটি ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তা ছাড়া আমি ক”দিন ধরে অসুস্থ, কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে! বুঝতেই পারছেন।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও প্রমানিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শান্তি স্বরূপ ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি সাহিদা তারেখ দীপ্তির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি।

 

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত