সোমবার , ২৭ মে ২০২৪ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

বেনজীরের ৮৩টি দলিল মুলে সম্পদ ও ৩৩টি ব্যাংক একাউন্ট জব্দ

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
মে ২৭, ২০২৪ ৫:৪১ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ একাত্তর/নিউজ ডেস্ক;

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তিনি সহ পরিবারের নামে ৮৩টি দলিল, বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ ও ৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (অস্থাবর) জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আশ-শামস জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।,

ক্রোক করা স্থাবর সম্পতি ও ব্যাংক একাউন্টের তালিকা প্রকাশ করা হলো।

গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে পৃথক দলিলে তার মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীরের নামে থাকা ১৩ একর ৯১ দশমিক ৪৭ শতাংশ জমি রয়েছে। জেলার অন্য এলাকায় বেনজীর আহমেদের নামে থাকা ৪১ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি। স্ত্রী মিসেস জীশান মীর্জা নামে থাকা ৭৭.০০ শতাংশ এবং তিন একর ৬১ দশমিক চার দুই শতাংশ জমি। জীশান মীর্জার প্রতিষ্ঠান সাউদার্ন বিজনেস ইনিসিয়েটিভের নামে কেনা দুই একর ৭১ শতাংশ এবং ৪৭ শতাংশ জমি। বেনজীর আহমেদের নামে কেনা ৫৫ শতাংশ এবং জীসান মীর্জার নামে কেনা ছয় একর ৫৯ দশমিক নয় পাঁচ শতাংশ জমি। এছাড়া জীশান মীর্জার সাউদার্ন বিজনেস ইনিসিয়েটিভের নামে গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে ৭১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং বেনজীর আহমেদের নামে থাকা এক একর ৮৫ শতাংশ, এক একর ১৯ শতাংশ, ৪৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ৩৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ, তিন একর ৩১ শতাংশ, ৫১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ৫৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ২২ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি।

স্ত্রী জীশান মীর্জার সাভানা ফার্ম প্রোডাক্টস-এর নামে কেনা ৪২ শতাংশ, ১৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ৪১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ৭০ শতাংশ, ৫৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ, তিন একর ৮১ দশমিক পাঁচ শতাংশ, ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ, ১৫ শতাংশ, ৮০ দশমিক ৩০ শতাংশ, সাত একর ৫৮ দশমিক তিন এক শতাংশ, ৫০ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ১৫ শতাংশ, চার একর ৭৬ শতাংশ, ৪৫ শতাংশ, ৯৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ৪৮ দশমিক ৫০ শতাংশ, ৩২ দশমিক ২৫ শতাংশ, ৯৯ শতাংশ, ৪৮ দশমিক ৪০ শতাংশ, ৮৪ শতাংশ, এক একর, জীশান মির্জার সাভানা পার্ক রিসোর্ট অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবের নামে বিভিন্ন দাগ ও মৌজায় কেনা এক একর ৬৭ শতাংশ, ৩৬ শতাংশ, এক একর ৮৭ শতাংশ, ২৪ শতাংশ, এক একর ৫৪ শতাংশ, এক একর ৫১ শতাংশ, এক একর, ৫৬ শতাংশ, ২৭ শতাংশ, ৮৭ শতাংশ, ৬৬ শতাংশ, ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ, ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ, ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ।

জীশান মীর্জার সাভানা ফার্ম প্রোডাক্ট-এর নামে বিভিন্ন দাগ ও মৌজায় এক একর ১৯ শতাংশ, ৯৬ শতাংশ, সাভানা এগ্রোর নামে কেনা ৯৭ শতাংশ, এক একর ২৮ দশমিক তিন তিন শতাংশ, এক একর ৬৯ দশমিক ছয় শতাংশ, তিন একর ১৪ শতাংশ, তিন একর ৮২, তিন একর ৪৭ শতাংশ, চার একর তিন শতাংশ, ৯২ শতাংশ, ৮০ শতাংশ। সাভানা ন্যাচারাল পার্ক প্রাইভেট লিমিটেডের নামে বিভিন্ন দাগ ও মৌজায় ২০ শতাংশ, এক একর ৮৬ শতাংশ, এক একর ৯৯ শতাংশ। গোপালগঞ্জ টুঙ্গীপাড়ায় মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীরের নামে বিভিন্ন দাগ ও মৌজায় ২০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তিন মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর, তাহসিন রাইশা বিনতে বেনজীর, জারা জেরিন বিনতে বেনজীর এবং আরু রুহ মিজান স্নেহার ১৩ শতাংশ, ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ।

কোটালীপাড়ায় দুই একর আট শতাংশ, চার একর ৪২ শতাংশ, ৯২ শতাংশ, দুই একর ১৮ শতাংশ, ২০ শতাংশ, এক একর ৬৯ শতাংশ। কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে ২২ শতাংশ, ৪৪ শতাংশ, ৩৫ শতাংশ, ৪৫ শতাংশ, ২৯ শতাংশ। ইনানিতে তিন মেয়ের নামে ১৫ শতাংশ, স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে ১০ শতাংশ, শতাংশ, ৪০ শতাংশ, ৭ শতাংশ। আদেশে বলা হয়েছে, আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় ক্রোক করা এসব সম্পদ কোন অবস্থাতেই হস্তান্তর কিংবা বিনিময় করা যাবে না।

অবরুদ্ধ করা অস্থাবর সম্পদ

ফ্রিজ করা বেনজীর আহমেদের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে, সিটি ব্যাংকে বিভিন্ন নামে তিনটি অ্যাকাউন্ট, কমিউনিটি ব্যাংকে বেনজীর, তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে চারটি অ্যাকাউন্ট, আইএফআইসি ব্যাংকে স্ত্রীর নামে দুটি অ্যাকাউন্ট, প্রিমিয়ার ব্যাংকে স্ত্রী ও মেয়েদের নামে তিনটি অ্যাকাউন্ট, ইউনিয়ন ব্যাংকে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে দুটি অ্যাকাউন্ট, সাউথ ইস্ট ব্যাংকে স্ত্রীর নামে দুটি অ্যাকাউন্ট, ইসলামি ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের নামে একটি অ্যাকাউন্ট, এবি ব্যাংকে স্ত্রীর নামে একটি অ্যাকাউন্ট, প্রাইম ব্যাংকে বেনজীর আহমেদের নামে একটি অ্যাকাউন্ট, সিটি ব্যাংকে বেনজীরের নামে ইস্যু করা চারটি ক্রেডিট কার্ড, সোনালী ব্যাংকে চারটি অ্যাকাউন্ট ও সঞ্চয়পত্র, আএফআইসি সিকিউরিটিজ ও ড্রাগন সিকিউরিটিজে বেনজীরের দুটি বিও অ্যাকাউন্ট, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক ও ডাইনেস্টি সিকিউরিটিজে স্ত্রী ও মেয়ের নামে চারটি বিও অ্যাকাউন্ট। আদেশে বলা হয়েছে, ফ্রিজ করা এসব অ্যাকাউন্টগুলোতে টাকা জমা দেওয়া যাবে, কিন্তু কোন অবস্থাতে উত্তোলন করা যাবে না।

আদেশে বলা হয়েছে, স্থাবর সম্পদের ওপর জব্দের আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় কোনো অবস্থাতেই তা হস্তান্তর বা বিনিময় করা যাবে না। আর অস্থাবর সম্পদে অবরুদ্ধের আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় হিসাব সমূহে অর্থ জমা বা উত্তোলন করা যাবে না। এই আদেশটি দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা-২০০৭-এর বিধি ১৮ক(১) অনুসারে কমিশন বিজ্ঞপ্তি আকারে বহুল প্রচারিত একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হলো।,

সর্বশেষ - অন্যান্য