ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
আজ মহান ১৬ ডিসেম্বর। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন, মহান বিজয় দিবস। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ত্রিশ লক্ষ শহীদ, দুই লক্ষ মা-বোনের আত্মত্যাগ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম সাহস ও দেশপ্রেমকে।
মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের শিখিয়েছে, স্বাধীনতা কখনো দয়া নয়, এটি অর্জন করতে হয় সংগ্রাম, ত্যাগ ও ঐক্যের মাধ্যমে। এই বিজয় ছিল শোষণ, বৈষম্য ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সেই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই জন্ম নিয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদল সবসময়ই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে।
আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, “মহান বিজয়ের চেতনা বারবার ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। গণতন্ত্র আজ সংকুচিত, মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত, ছাত্রসমাজ নির্যাতন ও বঞ্চনার শিকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজ জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রের পরিবর্তে দলীয়করণের শিকার হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ছাত্রদল স্পষ্টভাবে ঘোষণা করতে চায়
আমরা স্বাধীনতার চেতনার নামে দুঃশাসন মানি না,
আমরা বিজয়ের ইতিহাসকে একদলীয় সম্পত্তি হতে দেব না,
আমরা ছাত্রসমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যাব।
১৬ ডিসেম্বর আমাদের শুধু অতীত স্মরণ করার দিন নয়, এটি ভবিষ্যতের জন্য শপথ নেওয়ার দিন। শপথ নিতে হবে, একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার। যে বাংলাদেশে ছাত্রসমাজ হবে নেতৃত্বের মূল চালিকাশক্তি।
আসুন, মহান বিজয় দিবসে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।
দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী করি।
দেশ, দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য প্রস্তুত রাখি।
জয় হোক মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার।
জয় হোক ছাত্রসমাজের।
জয় হোক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের।
লেখক, মীর ইমরান হোসেন মিথুন
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ, সাবেক সহ-সভাপতি সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রদল।


















