মিরপুর অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্সে ব্যাপক অনিয়ম ও প্রস্তুতকারকের নিম্নমানের অভিযোগ
মিরপুর: রাজু আহমেদ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
দীর্ঘ দুই-তিন বছর দৌড়ঝাঁপ ও প্রক্রিয়ার ঝামেলা পেরিয়ে প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ করে মিরপুর বিআরটিএ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করেছেন অসংখ্য চালক। তবে টাকা ও সময় খরচ করে হাতে পাওয়া লাইসেন্সই এখন সঙ্কটের কারণ—কারণ কার্ডগুলোর গুণগত মান এতই খারাপ যে আঠা খুলে একই লাইসেন্স তিনটি পার্টে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, “লাইসেন্স বের করে ম্যানিব্যাগে রেখেছিলাম। হঠাৎ দেখলাম একটির বদলে তিনটি অংশ! কার্ডের ভিতরের আঠা খুলে তিনটি পার্ট আলাদা হয়ে গেছে। যেখানে আগে ‘সোনার হরিণ’ বলে ভেবেছি, এখন মনে হচ্ছে প্রতারণার ফাঁদ।” অনেকের দাবি, এটি কেবল একক ঘটনা নয়—বিপুল সংখ্যক নতুন মুদ্রিত লাইসেন্সেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
কলাম ২ — কার্ডের ত্রুটি ও নোংরা ফলাফল। প্রিন্টিং ও ল্যামিনেশনের নিম্নমানের কারণে সীমারের মতো আঠার অংশ স্লিপ করছে; ফলত কার্ডের সীমানা নড়ে-চড়ে যাচ্ছে এবং পুরো কার্ডটাই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে, এমন নরম আঠা থাকায় মানিব্যাগে রাখলে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে—ভবিষ্যতে ডকুমেন্টস হারানোর ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। চালকরা বলছেন, হাজার হাজার টাকা দিয়ে এমন নিম্নমান কেন দেয়া হচ্ছে—এই প্রশ্নের জবাব চায় তারা।
মন্ত্রণালয় ও বিআরটিএর কাছে অনুরোধ জনগণের আহ্বান—এই অনিয়ম ও নিম্নমানের প্রিন্ট বন্ধ করে মানসম্মত কার্ড দ্রুত সরবরাহ করুন।
ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে টেনে ধরতে চায়—সড়ক যোগাযোগ মন্ত্রণালয় নাকি বিআরটিএর অভ্যন্তরীণ কোনো চেইন এই এলাকাটিকে ছাঁটছে? তারা বলছেন, “এগুলো কারা করছে—প্রিন্টিং হাউস না কোন কন্ট্রাকটর? দায়িত্ব নাও, প্রতিকার করো।”
নাগরিক ও চালক মহলের দাবী স্পষ্ট — “আমরা নিম্নমানের কার্ড চাই না। দয়া করে শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী, ভালো মানের কার্ডের ব্যবস্থা করুন যাতে আমাদের টাকা আর সময় উভয়ই নষ্ট না হয়।”


















