সোমবার , ১৮ আগস্ট ২০২৫ | ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

মিরপুরে আওয়ামী লীগ নেতার অফিসে ম্যানেজারের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

প্রতিবেদক
বাংলাদেশ একাত্তর
আগস্ট ১৮, ২০২৫ ২:৫৭ পূর্বাহ্ণ

রাজু আহমেদ | ঢাকা | ১৭ আগস্ট ২০২৫

রাজধানীর মিরপুর ১১ মেট্রোরেল স্টেশন সংলগ্ন টপটেন ভবনের পাশে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় লুকানো রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা হারুন অর রশিদের ম্যানেজার আফজাল হোসেন ইমরান (৪০)-এর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে “সুমিস ডেন্টাল জোন” নামে পরিচিত একটি অফিস কক্ষে। যদিও নামফলকে ডেন্টাল চেম্বারের সাইনবোর্ড টাঙানো ছিল, বাস্তবে সেখানে চালানো হতো গার্মেন্টস এক্সেসারিজ ব্যবসা।

১৭ আগস্ট রাত ১১টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঘটনাস্থলে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের ভিড় জমে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

নিহতের ভাবী জানান, “আমার দেবরকে কাল রাত থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে মালিক হারুনকে ফোন করলেও তিনি ধরেননি। পরে অফিসে এসে দেখি পুলিশের উপস্থিতি। তখন জানতে পারি ইমরান খুন হয়েছেন।”

নিহতের ভাই অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতা হারুন অর রশিদের বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসার সমস্ত ভাড়া ও হিসাব রাখতেন ইমরান। তিনি বলেন, “হারুন সাহেব এখন আত্মগোপনে আছেন। তার ছেলে মাদকাসক্ত। ওই অফিসে প্রতিদিন বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতো। অফিসের চাবি শুধু আমার ভাই ও হারুনের ছেলের কাছে ছিল। আমাদের দৃঢ় সন্দেহ, এই হত্যাকাণ্ডে হারুনের ছেলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।”

হারুন অর রশিদ ছিলেন ঢাকা মহানগরের ৯২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার রাজনৈতিক প্রভাব ও বিত্তশালী জীবনধারা নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন রয়েছে।

এঘটনায়, ভবন মালিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “আমি কীভাবে জানবো? খুন কে করেছে তাও জানি না। এসব নিয়ে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আপনারা উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করছেন

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা খুলে লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পল্লবী থানার তদন্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম বলেন, “একজনকে আটক করা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত না শেষ হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।”

এদিকে, এলাকায় প্রশ্ন উঠেছে— আওয়ামী লীগ নেতার অফিসে ম্যানেজারের গলা কাটা লাশ, মালিক আত্মগোপনে, আর মাদকাসক্ত ছেলের নাম ঘুরপাক খাচ্ছে কেন? এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রভাবশালী চক্রের হাত রয়েছে কি না তা এখন সময়ই বলে দেবে।

সর্বশেষ - আইন ও আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত