আন্তর্জাতিক

মিশরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান, ১৭ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত

%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%b0

অনলাইন ডেস্ক:
মিশরের রাজধানী কায়রোতে গত সপ্তাহান্তের ভয়াবহ গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক অভিযান চালায়। এতে অন্তত ১৭ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে। খবর এএফপি’র।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত মুসলিম ব্রাদারহুড সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গ্রুপ হাসমের ১৭ সদস্য নিহত হয়েছে।

মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি কায়রোতে বিভিন্ন গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষকে একটি ‘সন্ত্রাসী কর্মকান্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন। কেননা, গাড়িগুলোর একটি বিস্ফোরক ভর্তি ছিল।

মিশরের রাজধানীতে ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের বাইরে রোববার মধ্যরাতের আগ মুহূর্তে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরক ভর্তি দ্রুতগামী একটি গাড়ি সেখানে অপর তিনটি গাড়িকে ধাক্কা দিলে এ ঘটনা ঘটে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এ গাড়ি বোমার বিস্ফোরণে কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ ঘটানোর পেছনে হাসম গ্রুপের হাত রয়েছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গাড়িটির চালক আত্মঘাতী ছিল তারা এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ চালক হাসম গ্রুপের একজন সদস্য।

মন্ত্রণালয় জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হাসমের অবস্থানের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে কায়রো ও রাজধানীর দক্ষিণের ফায়োমে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে তাদের ১৭ জনকে হত্যা করে। এদের মধ্যে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলাকারীর ভাই রয়েছে।

রোববারের গাড়ি বোমার বিস্ফোরণের ঘটনায় এই ১৭ জন সরাসরি জড়িত ছিল কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

২০১৬ সাল থেকে হাসম গ্রুপ কায়রোতে পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা ও বিচারকদের বিরুদ্ধে চালানো বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করে আসছে।

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

5 × five =

বাংলাদেশ একাত্তর