বুধবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

৮ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে-বিএনপি

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৮ ৫:১৩ পূর্বাহ্ণ

দুর্নীতির মামলায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার সাজা হলেও সারাদেশে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে বিএনপি। ঢাকায় পুলিশ সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করলেও রাজপথে নামার চেষ্টা করবেন দলের নেতাকর্মীরা। তবে সংঘাত ও সহিংসতা এড়িয়ে চলার নির্দেশনা রয়েছে দলের হাইকমান্ডের। মামলার রায়ের আগের দিন আজ বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আজ বিকেল ৫টায় গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন খালেদা জিয়া। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া তার বিরুদ্ধে মামলার বিষয়বস্তু তুলে ধরাসহ নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকার পরামর্শ দেবেন। একই সঙ্গে সরকারকে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজনের আহ্বান জানাবেন। দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ঐক্যের ডাক দেবেন তিনি।

রায় সামনে রেখে চূড়ান্ত করণীয় নির্ধারণে আজ রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন খালেদা জিয়া। এ বৈঠকে খালেদা জিয়ার সাজা হলে দল পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করলেও তারা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখাতে চাইছেন। তবে রায় বিপক্ষে গেলেও শান্তিপূর্ণ আর নিয়মতান্ত্রিকভাবে কর্মসূচি পালনের জন্য দলের কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গণজমায়েত সৃষ্টির জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবেগের বশে কিংবা অতি উৎসাহী হয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করতে নিষেধ করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূলে বার্তা দেওয়া হয়েছে- সরকারের ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। খালেদা জিয়ার প্রতি জনসমর্থন দেখাতে ব্যাপক জনসমাগম ঘটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের প্রতিটি ইউনিটকে। নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মাঠে থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে।

দলের এমন প্রস্তুতির মধ্যেই ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মিছিল-জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি কমিশনারের এক জরুরি বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমকালকে বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তই বলে দিচ্ছে, দেশে গণতন্ত্রের লেশমাত্র নেই। এটা একনায়কতন্ত্র থেকেও ভয়াবহ। তিনি বলেন, বিএনপি তো কোনো কর্মসূচি এখনও ঘোষণাই করেনি। কিন্তু এরপরও পুরো ঢাকা শহরকে যুদ্ধাবস্থায় নিয়ে গেছে সরকার। বিরোধী দলের নেতা, এমনকি নেত্রীদের বাসাবাড়িতেও তল্লাশির নামে হয়রানি-নির্যাতন করা হচ্ছে। তারাই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করছে। তিনি বলেন, অন্যান্য দিনের মতো দলের নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেত্রীকে দেখতে এদিনও রাস্তায় থাকতে পারেন। তিনি বলেন, ডিএমপির সিদ্ধান্তের বিষয়ে দলের কোনো বার্তা নেই।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মামলার রায় অনেক আগেই সরকার লিখে দিয়েছে। এর প্রস্তুতি নিতেই ডিএমপি রাজধানীতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে।

ডিএমপির নির্দেশনা আর ওই দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে থাকার বিষয়টি মাথায় রেখেই মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তারা জানান, নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও পুলিশ বিএনপিকে মাঠে নামতে দিত না। তাই এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া-না দেওয়া সমান কথা।

এমন চিন্তা থেকেই দলের হাইকমান্ড ৮ ফেব্রুয়ারির আগে যে কোনো উপায়ে গ্রেফতার এড়াতে নির্দেশনা দিয়েছেন। এ কারণে গত সোমবার দলের চেয়ারপারসন মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে সিলেট গেলেও অঙ্গসংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে নেননি।

দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন আদালত এলাকা থেকে শুরু করে শাহবাগ, গুলিস্তান, কাকরাইল এলাকায় ব্যাপক গণজমায়েতের প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠন। এদিন ঢাকার বাইরে থেকেও অনেক উৎসুক নেতাকর্মী রাজধানীতে আসার পরিকল্পনা করছেন। ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী থেকে নেতাকর্মীরা আসবেন বলে জানা গেছে। ওই দিন সরকার নিয়ন্ত্রিত যানবাহন ব্যবস্থা চালু করতে পারে- এমন আশঙ্কায় আজ রাতের মধ্যে তারা ঢাকায় প্রবেশ করতে পারেন। রাজধানীর মূল কেন্দ্রবিন্দু ছাড়াও এদিন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পুরো রাজধানীতে শোডাউন করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।

সারাদেশের জেলা শহরগুলোতেও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সহিংস কর্মসূচি এড়িয়ে গণজমায়েত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদের। এর পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্বশীল নেতারা কয়েক দিন ধরে এলাকায় নীরবে কাজ করেছেন এবং কৌশল নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তারা এখনও আশাবাদী, মিথ্যা ও সাজানো মামলায় খালেদা জিয়ার কিছু হবে না। তবে সরকারের নির্দেশিত কোনো রায় দেওয়া হলে শুধু বিএনপি কেন, কেউ মানবে না। সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি যা হওয়ার তা-ই হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবে রহমান শামীম বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি প্রশ্নবিদ্ধ রায় দেওয়া হলে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী ঘরে বসে থাকবে না। দলের প্রতিটি ইউনিটের নেতাকর্মীকে দলের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে নির্দেশনা দেওয়া হলেও সরকার খলেদা জিয়ার মামলা নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে তৃণমূল কারও নির্দেশের অপেক্ষায় থাকবে না।

সর্বশেষ - সর্বশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

চোরাই মোবাইল নিয়ন্ত্রণে মামা-ভাগ্নে গ্রুপের ভাগ্নে গ্রেফতার,মামা অধরা!

কুষ্টিয়ায় ছিন্নমূল জনগোষ্ঠির মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবিতে মিরপুর প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সালেহপুর সেতুতে ফাটল: সড়কে তিব্র যানজট

বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার-২, মাইক্রোবাস জব্দ

সড়কে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করায় র‌্যাবের হাতে আটক

ধর্ষণের হুমকি দেয় আমাকে: মিথিলা

কাউন্সিলর কার্যালয়ের ২শ গজ দূরে ফুটপাত দখল করে পাকা দোকান নির্মাণ

বাঙলা ক‌লেজে ছাত্রলীগের হামলার শিকার সাংবাদিক জাফরসহ দুজন

মেট্রোরেল প্রকল্পের মালামাল চুরি সংঘবদ্ধ চক্রের ৬ চোর গ্রেফতার