NEWS, অন্যান্য, আইন ও আদালত, নারী, সারাদেশ

বিশ্বম্ভরপুরে এক তরুণীকে ধর্ষণ!

%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87

আজিজুল ইসলাম (জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ)

বিয়ের আগে অনেকেই প্রেম করে থাকেন শুধু তার পছন্দের মানুষটিকে পাওয়ার জন্য, কিন্তু অনেকের আশা পুর্ণ হয়না।
এমনকি ধর্ষণের শিকার হতে হয় অনেক মেয়েদের। তেমনি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ
ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের আদাং গ্রামের মারুফার জীবনে করুণ এক ঘটনা।

মারুফা ও একই গ্রামের আবু কালামের ছেলে, মুজাহিদ গত ২৮/০৪/১৮ ইং তারিখে, প্রতিদিনের মত দুপুর ১২,০০ ঘটিকার সময় মারুফার পাশের বাড়ীর কামালের ঘরে এসে কিছু সময় বসে। ঐ দিন একই সময় মারুফাকে কামালের স্ত্রী তাসলিমা কোন একটি কাজে তাকে তার ঘরে আসতে বলে, তাসলিমার ডাকে সাড়া দিয়ে মারুফা তার ঘরে প্রবেশ করা মাত্রই মুজাইদ মারুফার শরীরে স্পর্শ করে, এবং শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়।

তার এই অশ্লীল প্রস্তাবে মারুফা রাজী না হয়ে ঘৃণ্য মনোভাব প্রকাশ করে ঘর থেকে বের হতে চাইলে, মুজাহিদ তাকে জোর পুর্বক মারুফার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে, এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য মুজাহিদ মারুফাকে প্রান নাশের হুমকি দেয়। তার কিছু দিন পর বিষয়টি জানা জানি হলে এলাকার মেম্বার মোঃ আবু তাহের বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য, ০৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ সিদ্দিকুর রহমানকে অবগত করে, ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনা থেকে চালাকির মাধ্যমে মুজাহিদের পিতা আবু কালাম ও তারই  আত্তীয় স্বজন হাবিব উল্লাহ, দুই দিনের সময় নেয়।

বিচারকরা সময় দিলে এই সুযোগে পরের দিন রাত্রেই একই গ্রামের আব্দুল মান্নানের না বালিকা মেয়ে তাকমিনা আক্তারকে ঐ ধর্ষক মুজাহিদের সাথে মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিবাহ দেয়। বিচারকদের সাথে ধর্ষকের বাবা প্রতারণা করায়, বিষয়টি সলুকাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদ করলে চেয়ারম্যান উভয় পক্ষকে গত ১৪/০৫/১৮ ইং তারিখে, আসতে বলেন, সেখানে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনলেন, চেয়াম্যান বিষয়টি খুবই জটিল মনে করেন, পরে সাত সদস্যের একটি টিম গঠন করিয়া দুই দিনের ভিতর বিষয়টি শেষ করার নির্দেশ দেন।

ঐ সাত সদদ্যের টিম ঐদিন রাত্রেই নিস্পত্তির জন্য বসলে, ধর্ষকের বাবা আবু কালাম ও হাবিব উল্লাহ যুক্তি করে ও মেয়ের পক্ষ গরিব অসহায় বিধায় ত্রিশ হাজার টাকা, দিয়ে শেষ করার জন্য পায়তারা করে, বোর্ড কর্তৃপক্ষ রাজি না হওয়ায় বিষয়টি শেষ হয়নি। সরেজমিনে জানাযায় মুজাহিদ যে মেয়েটিকে বিয়ে করেছে, তাকমিনা আক্তার, সে রতারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ২০১৮ সালের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী, কিন্তু না বালিকা মেয়ের বয়সের বিষয়টি, সলুকাবাদ ইউনিয়নের কাজী আবু বক্কর ভাল ভাবে যাচাই না করেই, বিয়ে পরিয়ে দেয়, আর ঐ বিয়েতে ঈমামের দায়িত্ব্য পালন করেন ধর্ষকের বাবার প্রিয় বন্ধু একই গ্রামের হাবিব উল্লাহ, এ ঘটনার বিষয়ে হাবিব উল্লার কাছে জানতে চাইলে, সে বলেন ধর্ষণ ও বিয়ের বিষয় আমি কিছুই জানি না. সব কিছু জানেন মেম্বাররা, ধর্ষীতার মা রাবিয়া আক্তার বলেন, আমরা গরিব বলে আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়, ধর্ষক ও তার বাবা আবু কালাম এবং হাবিব উল্লাহসহ আরো অনেকে। আমরা আইনের আওতায় জাইতে চাইলে ধর্ষকের আত্তীয় স্বজনরা বিভিন্ন ভাবে বাধা দেয়, তারপরও আমরা আইনের আশ্রয়ে যাব।

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share
bangladesh ekattor

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

1 × four =

বাংলাদেশ একাত্তর