জাতীয়, ফিচার, রাজনীতি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার পরবর্তী শুনানি ১৬-১৮ জানুয়ারি

%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%ae-%e0%a6%96

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পরবর্তী শুনানির জন্য ১৬, ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে যুক্তি উপস্থাপন মুলতবি ঘোষণা করা শুনানির জন্য নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আজ নবম দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার দাবি করেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই দুর্নীতি দমন কমিশন প্রমাণ করতে পারেনি। ফৌজদারি মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে না পারলে এর সুবিধা পাবেন আসামি। কাজেই খালেদা জিয়া সম্পূর্ণরূপে খালাস পাবেন।

এদিনে যুক্তি উপস্থাপন শেষে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬, ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন পুরান ঢাকার বকশীবাজাবের বিশেষ আদালত ৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান।

যুক্তি উপস্থাপনকালে খালেদা জিয়ার এ আইনজীবী বলেন, এ মামলায় সাক্ষ্য-তথ্যপ্রমাণে ম্যাডামকে (খালেদা) দোষী সাব্যস্ত করতে পারেনি। আর এই ট্রাস্টের সঙ্গে ওনার কোনো সম্পর্ক নেই। উনি সম্পূর্ণরূপে খালাস পাবেন। এ সময় তিনি আদালতকে উদ্দেশ করে বলেন, খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার চান, ন্যায়বিচার করুন।

নবম দিনে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে অংশ নিতে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। বেলা ১১টা ৫ মিনিটে আদালতে পৌঁছান তিনি।

এর আগে গতকাল বুধবার অষ্টম দিনের মতো এই দুর্নীতি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন খালেদার আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর দুর্নীতির এ দুই মামলায় খালেদা জিয়া হাজির না হলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুদক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করা হয়।

ঢাকাটাইমস/১১জানুয়ারি

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

eleven + five =

বাংলাদেশ একাত্তর