শুক্রবার , ৪ জানুয়ারি ২০১৯ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

পল্লবীতে নেশাগ্রস্ত ছেলের হাতে মা খুন।

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
জানুয়ারি ৪, ২০১৯ ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

সরকার বার বার মাদকের বিরুদ্ধে সারা দেশে জিরো টলারেন্স জারি করলেও পুরোপুরি নির্মুল করা তা সম্ভব হচ্ছেনা কেন? প্রশ্নঃ সাধারণ জনগনের।

রাজধানীর মিরপুর বাউনিয়াবাধ এলাকা নেশাগ্রস্ত ছেলে রাসেলের হাতে থাকা লোহার সাপোলের আঘাতে “মা” কাজল রেখা নিহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

বাংলাদেশ একাত্তর.কম (শেখ রাজু)

এলাকাবাসী বলেন, প্রতিদিনের মত নেশার টাকা না দেওয়াতে রাসেল রাঙ্গানীত হয়ে লোহার সাপোল দিয়ে কাজল রেখার মাথায় আঘাত করলে মাথার মস্তক বের হলে রক্তাক্ত অবস্থায় খাটের উপর বিছানায় লুটে পড়ে।

ঘরে রক্তাক্ত মাখা বিছানা

পরে কাজল রেখার মেয়ে মুক্তি দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে ঘাতক খুনি রাসেল (২৫) পালিয়ে যায়। এসময় কাজল রেখাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জানা যায় বৃহস্পতিবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টার দিকে রাসেল তার গর্ভধারিণী মাকে ঘরের দরজা বন্ধ করে লোহার সাপোল দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে আর বলে টাকা দিবিনা কেন? পরে মৃত্যু যন্ত্রায় কাজল রেখা চিৎকার দিলে মেয়ে মুক্তি ছুটে আসলে ঘাতক নেশাগ্রস্ত ছেলে তার বোন মুক্তিকেও আঘাত করে পরে মুক্তির চিৎকারে তার নানা নানী খালা ফুফু ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।

নিহত কাজল রেখা ( ৫০) স্বামী আঃ রহিম দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে মিরপুর বাউনিয়াবাধ এলাকার ব্লক-ই- বাসা-১৩/১৮ তে বসবাস করতেন। তবে স্বামী আঃ রহিম ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি তিনি অনেক দিন থেকেই পরিবার থেকে নিরুদ্দেশ রয়েছেন।

ঘরের ভিতরে সারা শরীরে আরবী লেখা একটি বোরকা পড়া পুতুল দেখা যায়।

মাদকাসক্ত রাসেল নিজ বাসায় গড়ে তুলেছিলেন মাদকের আখড়া। সেখান থেকে পুলিশ দুই পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে বলেও জানা যায় এবং তার ঘরের ভিতরে সারা শরীরে আরবী লেখা একটি বোরকা পড়া পুতুল ও দেখা যায়।

এবিষয়ে পল্লবী থানার পুলিশ এস আই কামরুল উজ্জল বলেন, নেশাগ্রস্ত ছেলে তার মাকে খুন করেছে আসামী পলাতক তাকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।

সাধারণ জনগনের মতামতঃ সকল প্রকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর মাদক নির্মুল করার সৎ ইচ্ছা ও শক্তি দুটোই থাকতে হবে। মাদক যে বিক্রি করে আর যে সেবন করে তাদের আইনের ফাকফোকর থেকে চিরতরে বের হওয়া বন্ধ করে দিতে হবে।মাদকসেবী শুধু সমাজেরই শত্রু না দেশেরও শত্রু। মাদকসেবীর কাছে মা বোন বাবা পরিবারের কেউই নিরাপদ নয়। এই সরকারের আমলে মাদকের বিরুদ্ধে সারা দেশে সাড়াসি অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব”ডিবি “পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং অনেক মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুও হয়েছে। সাধারন মানুষের প্রশ্নঃ এই মাদক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কিভাবে দেশে প্রবেশ করে।মাদক প্রবেশ বন্ধ হলেই তো মনে হয় যুব সমাজ ধ্বংসের দিক থেকে রক্ষা পেত। তাহলে আর কোন মা”তার মাদকাসক্ত ছেলের হাতে এভাবে নির্মমভাবে খুন হতে হবেনা

সর্বশেষ - অন্যান্য