রবিবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বিনোদন
  10. বিশেষ সংবাদ
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

নব্য যুবলীগের দাপটে দিশে হারা সাধারন মানুষ

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ ১১:১০ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ একাত্তর.কম নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ   ঢাকা মহানগর উত্তরের সব চেয়ে বিতর্কিত বর্তমান যুবলীগ নেতারা। বাদ পড়েনি থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মীরাও। অল্প দিনে কোটিপতি হওয়ার গল্প এখন রিতিমত শোনা যাচ্ছে। এখন কেউ আর সরকারি চাকরি করতে চায়না যুবলীগের পদ-পদবী কিনেই রাতারাতি হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখছে অনেকেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২নং ওয়ার্ড বাসিন্দা “ছদ্ম নাম” রুবেল বলেন, আগে জানলে চাকরি করতাম না যুবলীগে নাম লিখিয়ে বাপ্পির মত হাজার কোটি টাকার মালিক হতাম চড়তাম দামী গাড়ীতে। এলাকা স্বশাসন করতাম সরকারি জমি, গার্মেন্টস রাস্তা-ফুটপাত দখল, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা সহ সকল প্রকার অবৈধ কাজ করে মাত্র অল্পদিনে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যেতাম। বহু পত্র-পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হয়েছে সেই বিতর্কিত যুবলীগের পল্লবী থানা সভাপতি  এখন পদোন্নতি হয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে।

যেখানে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি ও সেক্রেটার দুজনকেই ইতিমধ্য গনভবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা  করা হয়েছে সেখানে তারাই আবার পদোন্নতির ফরমে সই করেছেন আর সেই সই করা পদোন্নতি ফরম এখন ফেসবুক দুনিয়ায় ভাসছে।

এখন ফেসবুক দুনিয়ায় ভাসছে এই পদোন্নতির ফরম।

অনুসন্ধানেে দেখা জানা যা, পল্লবী ও রূপনগরে ব্যাঙ্গের ছাতার মত ভংকর রূপ নিয়ে গজিয়ে উঠছে নব্য যুবলীগ নেতা কর্মী শুন্য। রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর জুড়ে নব্য যুবলীগ নামধারী নেতাদের হিজিগিজি অবস্থা।

পল্লবী ও রুপনগর এলাকায় ফ্ল্যাট, জমি কেনাবেচা সহ  যে কোন বিচার শালিশ হলেই যুবলীগ পরিচয়ে তারা দল বেধে আসে। গোলমাল পাকিয়ে বিচার শালিস বসিয়ে তারা-ই হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের অর্থ। না দিলে হুমকি ধামকি দিয়ে সাধারণ মানুষেদের ভিতর আতংক ছড়িয়ে দেয় বাধ্য করে তাদের চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা দিতে। রাত হলেই তারা দল বেধে মোটর সাইকেল বহর নিয়ে এলাকার অলিগলিতে মহড়া দেয়। সরকারি খালি জায়গা দখল করে বস্তিঘর বানিয়ে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির অবৈধ  সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।  প্রতি মাসে সরকার  রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ।

তাদের সহযোগিতা করে স্থানীয় নেতারা। এমনও দেখা যায়, পুলিশের সাথে তারা সখ্যতা গড়ে এলাকায় নিরীহ মানুষদের ধরে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এরাই মুলতো কিশোর গ্যাংয়ের লিডার। যাতে কেউ সন্দেহ না করে তাই কৌশলে তারা অনেকেই আবার বারোমাস ধরেই ঢাকা-১৬ আসনের এমপি, আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি মাঈনুল হোসেন খান নিখিল। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক (নগর ইসমাইল) এবং  সাবেক পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। এসকল নেতার ছবি  পোষ্টারিং ও পাশে তাদের ছবি সংযুক্ত করে।

তবে ২নং ওয়ার্ডে নব্য যুবলীগের দাপটে দিশে হারা সাধারান এলাকাবাসি।

ওই পোষ্টারিং দেখিয়ে এলাকার সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে পুলিশকেও চোখে কাঠের চশমা পরিয়ে রাখে তারা। এই দৃশ্যের কপি পল্লবী ও রুপনগর এলাকা জু্ড়ে  দেখা যায় অহরহ।

উল্লেখ্য, পল্লবীর পলাশ নগর, বাউনিয়াবাধ, ঝুটপট্টি, বিহারি ক্যাম্প। পল্লবী থানা রোড, মিরপুর ১২, টেকের বাড়ী, সাগুপ্তা ও রূপনগর থানাধীন দুয়ারীপাড়া, শিয়াল বাড়ী, মিরপুর ৭ নম্বর, মিরপুর ৬ নম্বর, ষ্টার্ণহাউজিং সহ অন্যন্য এলাকায়। এরাই মুলত চুরি ছিনতাই মাদকসহ অনেক অপরাধ কর্মকান্ড করেও পার পেয়ে যায় এই ভয়ংকর নব্য যুবলীগরা।

এই নব্য যুবলীগরা মুল সড়কের ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে বানিয়েছে ক্লাব সেই ক্লাবে চলে জুয়া, মদ, গাজা,  সেবনসহ বিক্রির রমরমা বানিজ্য।

এদের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, কেউ ছিলো টোকাই কেউ ছিলো চোরের লিডার, কেউ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। কেউ গার্মেন্স কর্মী। কেউ পুলিশের সোর্স।

অনেকেই বারোমাস পোষ্টারিং করাই এদের মুল পুজি।এরা কিভাবে চলে? চাকরি নাই, ব্যবসা নাই, তার পরেও এরা নতুন নতুন মোটর সাইকেল নিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়। ধীরে ধীরে নব্য যুবলীগের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে ত্যাগী যুবলীগ নেতা কর্মীরা। বদনামের সাগরে ভাসছে আওয়ামী যুবলীগের মত শক্তি শালী দল। সঠিক দতন্ত করে যুবলীগের পদপদবী দেওয়ার কথা জানালেন ২নং ওয়ার্ডের অবহেলিত যুবলীগ নেতা কর্মীরা।

সর্বশেষ - রাজনীতি