অন্যান্য

টাঙ্গাইল থেকে মিরপুরের চিকিৎসক মোনায়েমুল বাশারকে উদ্ধার করেছে-র‌্যাব-৪, আটক-৬

%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a

(বাংলাদেশ একাত্তর) নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুর থেকে অপহরণের শিকার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক মোনায়েমুল বাশারকে উদ্ধার করা হয়েছে।জানা যায়, টাঙ্গাইলের মধুপুর ভাওয়াল বন এলাকা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে উদ্ধার করেছে র‌্যাবের একটি দল । এ অপহরণের ঘটনায় ১০ অপহরণকারীর মধ্য ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের কাজে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন সেট সিমসহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মুক্তিপণের ২৭ হাজার ৫০০ টাকাও উদ্ধার হয়।
র‌্যাব

র‌্যাব-৪ এর একটি দল শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে চিকিৎসক মোনায়েমুল বাশারকে উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৪ – এর সিনিয়র এএসপি সাজ্জাদুল ইসলাম।
তিনি জানান, বুধবার বেলা ১১টায় চিকিৎসা নেয়ার নাম করে মিরপুর-১০ নম্বর থেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক মোনায়েমুল বাশারকে মধুপুর ভাওয়াল বনে এক বাসায় নিয়ে যায় অপহরণকারী চক্ররা। সেখানে পৌঁছানোমাত্র অপহরণকারীরা তার হাত, চোখ মুখ বেঁধে ফেলে। তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
এই নির্যাতনের রেকর্ড করে তার পরিবারকে শুনিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীচক্ররা। মুক্তিপণের টাকা না দিলে বাশারকে হত্যার হুমকি দেয় তারা।
তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে হোমিও ডাক্তারের পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু টাকা দেয়া হয় অপহরণকারী চক্রের দেয়া বিকাশ নম্বরে।
পরে ওই চিকিৎসকের পরিবার র্যা বকে বিষয়টি জানায়। তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার রাত ৮টা থেকে ভোর সাড়ে ৬টা পর্যন্ত অভিযান চালায় ভাওয়াল বন এলাকায় র‌্যাব।
একপর্যায়ে অপহরণ হওয়া চিকিৎসক মোনায়েমুল বাশারকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ছয় অপহরণকারীকে গ্রেফতার করাও হয়।
র‌্যাববের সিনিয়র এ এসপি সাজ্জাদ জানান, এ অপহরণের সঙ্গে ১০ জন জড়িত। গ্রেফতার ছয়জন তারা হলো-আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন, ফয়েজ উদ্দিন, মো. ফয়সাল, আবদুল হালিম, বিল্লাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম ওরফে সোহরাব, সঞ্জীব, আলিম ও তারা বিবি ওরফে সানু আক্তার। পলাতক রয়েছে তারা বিবি, সোহরাব, সঞ্জীব ও আলিম ।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। অপহরণকারীরা জানায়, এ অপহরণের মূলহোতা সোহরাব।
র্যা বের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, গত ১০ বছর ধরে বিভিন্ন কায়দায় বড় বড় ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও চাকুরেদের টার্গেট করে মুঠোফোনে নারী সদস্যের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদ পাতে তারা। এ ছাড়া কাউকে সুন্দরী আদিবাসী নারীর প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন কৌশলে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল এ অপহরণকারীচক্রটি।
জানাযায় যে চিকিৎসক বাশার অপহরণ ঘটনা সম্পর্কে অপহরণ চক্রের নারী সদস্য পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চিকিৎসা নেয়ার উদ্দেশে ডাক্তারের চেম্বারে রোগী সেজে আসে। পরে।তার মুঠোফোন নম্বর নেয়। একপর্যায়ে বিভিন্ন রোগী তার মাধ্যমে চিকিৎসা করাবে বলে বিভিন্ন সময় ফোনে যোগাযোগ করতে থাকে। একপর্যায়ে সুন্দরী নারীর প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় আসতে বলে। সেখানে গেলে তাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করে এই চক্র।

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

বাংলাদেশ একাত্তর