শনিবার , ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আওয়ামীলীগ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. বি এন পি
  10. বিনোদন
  11. বিশেষ সংবাদ
  12. রাজধানী
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

টাকা দিলেই অনেক সাংবাদিক পাওয়া যায় বলেছেন বেকারি পণ্যের ব্র্যান্ড হক এর মূল প্রতিষ্ঠান এ টি হক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আদম তমিজি হক

প্রতিবেদক
bangladesh ekattor
জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ ১০:৩৪ অপরাহ্ণ

ঢাকার বেকারি পণ্যের ব্র্যান্ড হক-এর মূল প্রতিষ্ঠান এ টি হক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি। শনিবার সকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মনোনয়ন ফরম কিনতে গিয়ে সাংবাদিকদের সম্পর্কে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তমিজি হক ছাড়াও পোশাক ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম ও সাবেক সাংসদ ডা. এইচ বিএম ইকবালসহ আটজন এদিন মেয়র পদে প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কেনেন।

আনিসুল হকের মৃত্যুর পর ঢাকা উত্তরে উপ-নির্বাচনের আলোচনা উঠলে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুলকে অনেক জায়গায় জনসংযোগ করতে দেখা যায়, যা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এ সময় আদম তমিজিও বিভিন্ন জায়গায় গেলেও তা সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিলেন তিনি।

সকালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গেলে ছবি তোলার জন্য তমিজির দিকে ক্যামেরা ধরেন আলোকচিত্রীরা।
তখন সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি ব‌লেন, “আগে আপনারা কোথায় ছিলেন? আজ আমি যখন নমিনেশন ফরম নিতে এসেছি তখন আপনাদের আমার দিকে নজর পড়েছে? এতদিন তো আপনারা সবাই আতিকুল ইসলামের পিছনে ছুটেছেন।

“আজ যখন বুঝেছেন আমি মেয়র হতে যাচ্ছি, তখন আপনারা আমার পিছু নিয়েছেন। টাকা দিলেই অনেক সাংবাদিক পাওয়া যায়, সাংবাদিকের অভাব হয় না।”

এই কথার পর আর তমিজির ছবি তোলেননি অনেক আলোকচিত্রী। তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়ে গেলেও তার বক্তব্য নিতে যাননি কোনো প্রতিবেদক।

তমিজির কথায় ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন ফটোসাংবাদিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ রকম মানুষ মেয়র হবে কীভাবে যার কথাবার্তায় কোনো শালীনতা নেই?”

বিকালে তমিজিকে ফোন করা হলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমার গলায় ব্যথা ভাই, বলেন কী জানতে চান।”

তখন সাংবাদিকদের সম্পর্কে এই মন্তব্যের কারণ জানতে চাইলে মোবাইলের লাইন কেটে দেন তমিজি হক। পরে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করা হলেও আর ফোন ধরেননি তিনি।

সর্বশেষ - সর্বশেষ সংবাদ