জাতীয়, রাজধানী, রাজনীতি, সারাদেশ

“কওমি জননী” উপাধি পেলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

%e0%a6%95%e0%a6%93%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%a8

ইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ আয়োজিত ‘শোকরানা মাহফিলে’ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেয়া হয়েছে। আজ রবিবার সকালে এ মাহফিল শুরু হয়।

[বাংলাদেশ একাওর] এস এম বাবুল

এর আগে গণতন্ত্রের মানসকন্যা, জননেত্রী, মাদার অব হিউমিনিটিসহ অনেক উপাধীতে ভূষিত হন বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবকিছু আল্লাহর উপরেই ছেড়ে দিয়েছি।

আজ রবিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআাতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘শুকরানা মাহফিলে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ আহ্বান জানান। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তরের স্বীকৃতি দেওয়ায় এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত আলেমগন।

‘হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমি বাংলাদেশ’র ব্যানারে আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মাননা জানানোর আগে তাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেন কওমি মাদ্রাসাগুলোর সর্বোচ্চ সংস্থা ‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআাতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’র সদস্য মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন।

অতীতে কওমি মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও তা বাতিল করা হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা সংযুক্ত হলেই একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ হয়। আর কেউ যেন কওমি স্বীকৃতি বাতিল করতে না পারে সেজন্য এই আইন পাস ।(স্নাতকোত্তর স্বীকৃতি) করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কওমি মাদ্রাসার মাধ্যমেই মুসলমানরা শিক্ষা গ্রহণ শুরু করে। এবং তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর সুযোগ পাবে,

দেশের প্রতিটি মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের দেশ ও জাতির জন্য কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ইসলামী সংস্কৃতির বিস্তারের জন্য দেশের প্রতিটি অঞ্চলে মসজিদ নির্মাণ করে দেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি গোষ্ঠী অপপ্রচারে লিপ্ত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপপ্রচারে বিশ্বাস করবেন না। সরকার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।

বক্তব্যের শেষে আগামী নির্বাচনে ফের সরকার গঠনের সুযোগ চান প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি অবশ্যই বলেন, জনগণ যদি চান তাহলে তিনি সরকার গঠন করবেন। এরপর সবকিছু আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

Print Friendly, PDF & Email
Comments
Share

bangladesh ekattor

বাংলাদেশ একাত্তর.কম

Reply your comment

Your email address will not be published. Required fields are marked*

বাংলাদেশ একাত্তর